শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ‘গ্লোবাল কিডস স্কুলে’ ফল উৎসব ও শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালন সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ গাজীপুর মহানগরের ঈদ পুনর্মিলনী ও শিল্পী সমাবেশ মাদক কোনো সমাধান নয়; বরং এটি জীবন ধ্বংসের অন্যতম কারণ-এটিএম কামরুল ইসলাম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব অর্থমন্ত্রীর বিষ্ণুপুর পিকেএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবগঠিত এডহক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিট্ট্রেটের উপর হামলার চেষ্টা: ডেকর ওয়েট প্রসেসিংকে ২ লাখ টাকা জরিমানা ডিজিটাল আয়নায় সমাজ: ঘৃণা, নিয়ন্ত্রণ ও বিবেকের সংকট সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত আমিরাত প্রবাসী বিএনপি নেতা এস.এম. এরশাদুল আলমের ইন্তেকাল ফটিকছড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু

এই প্রজন্মের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী নওরীন স্বর্না এগিয়ে যাচ্ছে তার মৌলিক গান নিয়ে

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪৯ ভিজিটর

মোস্তাফা খান : সমসাময়িক সংগীত অঙ্গনে নিজের সৃজনশীলতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছেন তরুণ সংগীতশিল্পী সোনালী নওরীন স্বর্না। কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার এবং সুরকার এই তিন পরিচয়েই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন সমানতালে। পড়াশোনার পাশাপাশি সংগীতচর্চায় নিবেদিত এই শিল্পী ইতোমধ্যে একাধিক চলচ্চিত্র ও মৌলিক গানে নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। তার সাম্প্রতিক কাজের মধ্যে রয়েছে সিনেমা ‘রং রোড’-এর জনপ্রিয় গান ‘আদরী’র আদর’-এর টাইটেল ট্র্যাক, যা শ্রোতাদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। পাশাপাশি আলোচিত ‘আততবিদি লেন’ সিনেমার একটি আইটেম গানেও তার অংশগ্রহণ রয়েছে। ভিন্ন ধাঁচের গানগুলোতে কণ্ঠ ও উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি নিজের আলাদা একটি অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।

শুধু গায়িকা হিসেবেই নয়, স্বর্না একজন সক্রিয় গীতিকার ও সুরকারও। এখন পর্যন্ত তিনি প্রায় ১২৯টি মৌলিক গান করেছেন এবং নিজের লেখা ও সুর করা গানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭৮টির কাছাকাছি। তার এই বিশাল সৃষ্টিশীল ভান্ডার থেকে ভবিষ্যতে নতুন ও প্রতিভাবান শিল্পীদের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

সংগীতজীবনের শুরু নিয়ে তিনি জানান, বাবার সংগীতশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন ছিল তার জীবনের অনুপ্রেরণা। বাবা নিজে শিল্পী হতে না পারলেও মেয়ের মাধ্যমে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে চেয়েছেন। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই ছোটবেলা থেকে সংগীতচর্চার পথচলা শুরু হয় তার, যা এখন প্রায় দুই দশকের অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়েছে। প্রথম দিকের বড় মঞ্চে তার উপস্থিতি আসে চ্যানেল আই ‘ক্ষুদে গানরাজ’ (২০০৯) প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে বিজয় টেলিভিশনের ‘গানে গানে বিজয়’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তিনি প্রথম রানার্স আপ হন বলে জানা যায়। এই অর্জনই তাকে সংগীত অঙ্গনে আরো বেশি পরিচিতি এনে দেয়।

বর্তমানে তিনি সংগীতচর্চার পাশাপাশি শান্ত মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিতে ফ্যাশন ডিজাইন ডিপার্টমেন্টে পড়াশোনা করছেন। গান ও পড়াশোনা দুই ক্ষেত্রেই সমান মনোযোগ দিয়ে নিজেকে এগিয়ে নিচ্ছেন তিনি। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে স্বর্না বলেন, তিনি স্টেজ পারফরম্যান্সের চেয়ে নিজের মৌলিক গান ও সৃষ্টিশীল কাজের দিকেই বেশি মনোযোগ দিতে চান। ভাইরাল হওয়ার পেছনে না ছুটে মানসম্মত কাজের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে নিজের অবস্থান শক্ত করতে চান তিনি। নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের উদ্দেশে তার স্পষ্ট বার্তা, ভাইরাল হওয়ার পেছনে না ছুটে নিজের দক্ষতা ও কাজের মান উন্নত করো। টিকে থাকে ভালো কাজ, ক্ষণস্থায়ী আলো নয়।

নিজের লেখা ও সুর করা গানগুলো তিনি ধীরে ধীরে নতুন ও প্রতিভাবান শিল্পীদের জন্য উন্মুক্ত করতে চান, যাতে নতুন মুখগুলোও সুযোগ পেয়ে এগিয়ে যেতে পারে সংগীতের মূলধারায়। সৃজনশীলতা, পরিশ্রম আর ভিন্নধর্মী ভাবনার মিশেলে তিনি ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে নিজেকে তুলে ধরার প্রত্যাশা রাখছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর