বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভারতবর্ষের আদি অন্ত ও অখন্ড ভারতের দ্বিবাস্বপ্ন ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানে কাঁটাতারের বেড়া দেবে বাংলাদেশ: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানে ফটিকছড়ির যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু, পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পরিবারের আবুধাবিতে হিজরি ১৪৪৮ নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে নাতে মোস্তফা মাহফিল চট্রগ্ৰাম ফটিকছড়ি হালদা বিপন্ন করে নির্মাণ হচ্ছে তীররক্ষা বাঁধ কালিগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযান, কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত বোরকা নিয়ে সংসদে সরকারি দলের এমপির আপত্তিকর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ বিরোধী দলের বহিরাগত প্রো-ভিসি নিয়োগ প্রত্যাখ্যান: গাকৃবিতে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন, প্রশাসনিক ভবন অবরুদ্ধ বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কালিগঞ্জের মহসিন আলীর মৃত্যু, এলাকায় শোক মাভাবিপ্রবিতে ‘টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

কাপাসিয়ায় ৫৪ বছরের দখলে থাকা জমি আদালতের রায়ে উদ্ধার

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৮ ভিজিটর

গাজীপুর (কাপাসিয়া) প্রতিনিধি: গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার টোক ইউনিয়নের উজুলী মৌজার এন্তাজ উদ্দিন ও মোমতাজ উদ্দিন গং দের দখলে থাকা জমি দীর্ঘ ৫৪ বছর পর হঠাৎ করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দখল করেন তার ভাতিজা মোঃ রফিজ উদ্দিন রফিক এ নিয়ে মামলা চলমান থাকলে মামলার রায়ে  পুনরায় এ জমি দখলে নেন এন্তাজ উদ্দিন ও মোমতাজ উদ্দিন গং।

বিভিন্ন দলিল ও মামলার রায় মূলে যা জানা যায় ৩৪ নং সিএস খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিক আমুদ আলী শেখ পাঁচপুত্র এবং দুই কন্যা রেখে মৃত্যুবরণ করেন।

পরবর্তীতে আমুদ শেখের দুই পুত্র যথাক্রমে শহর আলী ও বাহর আলী এবং দুই কন্যা সখিনা খাতুন ও জরিনা খাতুন ১৯৬৩ সালে বিভিন্ন দলিলে স্বামী আব্দুল মোতালেব ভূঁইয়া এবং আয়শা খাতুন বরাবর বিক্রি করেন ।

তাছাড়াও বাকি দুই পুত্র ওমর আলী এবং মোহর আলী মৃত্যুবরণ করিলে তাহার ঔরসজাত ছেলে মেয়ে বিভিন্ন দলিল দিয়ে গ্রহীতার বরাবর হস্তান্তর করেন ১৯৬৩ সালে।

পরবর্তীতে উল্লেখিত গ্রহীতাগন ১৯৭৫ সালে এবং নিজস্ব রেকর্ডীয় মালিক আমুদ শেখ অন্য ছেলে হাফিজ উদ্দিন ১৯৭২ সালে বর্তমান দখলদার এন্তাজ উদ্দিন ও মমতাজ উদ্দিন এর পিতা মরহুম রমজান আলী বরাবর হস্তান্তর করে। সে সত্তে ১৯৭২ এবং ১৯৭৫ সাল থেকে জমির দখল  বংশানুক্রমে রমজান আলী ভোগদখল করলে তার মৃত্যুর ২৫ বছর যাবত তার ওয়ারিশগনের দখলে এবং তারা চাষাবাদ করে আসছে।

বিভিন্ন দলিল ও রেকর্ডীয় মালিক হয়ে দীর্ঘদিন এর জমি চাষাবাদ করে আসলে হঠাৎ ৫ই আগস্টের পর পটভূমি পরিবর্তন হলে রফিজ উদ্দিন এই জমির মালিক দাবি করে তার চাচা বশির উদ্দিন বাসু টোক ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি থাকায় এ পথকে ব্যবহার করে এই জমিতে চাষাবাদ করতে নিষেধ করে।

প্রথমে তারা রেকর্ড মূলে জমির মালিক বলে বাধা দেয় পরবর্তীতে রমজান আলী গং রেকর্ড বিরোধী মামলা দেন মামলায় তাদেরকে কারণ দর্শানো হলে তারা কোর্ট  হাজির হয়নি,কোডে আদেশ হয় জমি পূর্বে যে অবস্থায় ছিল সে অবস্থায় থাকবে। এই মামলার বিরুদ্ধে তারা একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে কোর্টে সে মামলাতেও তারা হাজির হয়নি।

এলাকার প্রবীণ কৃষক, দুলাল মেলেটারি বলেন , আমার জমির সাথে তাদের এই জমি আমি দীর্ঘ ৫০ বছর যাবত দেখে আসতেছি হঠাৎ করে রফিজ উদ্দিন তারা কিভাবে জমির মালিক হলো এটা বুঝে আসেনা এটা একটা মিথ্যা অভিযোগ এবং মিথ্যা হয়রানি।

এলাকার অন্য কৃষক আব্দুল মজিদ বলেন, আমার জমির সাথে তার জমি আমি কোর্টেও এ ব্যাপারে কথা বলেছি তারা মিথ্যা ভাবে তাদেরকে হয়রানি করতেছে ক্ষমতার বলে দলের জোরে এটা একটা ডাহা মিথ্যা বিষয়। এভাবে পরপর দুটি মামলায় তারা ব্যর্থ হলে জোরপূর্বক ভাবে জমি দখলের চেষ্টা করে। সর্বশেষ কোর্টের  রায় হয় এন্তাজ আলী এবং মোমতাজ উদ্দিন গংদের পক্ষে এবং তারা তাদের জমিতে পুনরায় চাষাবাদ শুরু করে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মোঃ রফিজ উদ্দিন ব্রিজের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার কাছে কাগজ আছে আমি পরে দেখা করব।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বশির উদ্দিন বাসুর সাথে যোগাযোগ করলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর