এস এম মঈন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় এক নারী ইউপি সদস্যাকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। তবে অভিযুক্ত পক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে ভিন্ন বক্তব্য দেওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
আহত ইউপি সদস্য ঝর্না খাতুনকে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি দরগাহপুর ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য।
ভুক্তভোগী ঝর্না খাতুন সাংবাদিকদের জানান, ইউনিয়ন যুবদল নেতা ও ওএমএস চালের ডিলার শ্রীধরপুর গ্রামের জাকির হোসেন বাবু দীর্ঘদিন ধরে তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তিনি প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হয়ে সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন।
তার অভিযোগ, রোববার দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে জাকির হোসেন বাবু তাকে কালাবাগী বাজারে ডেকে নেন। সেখানে গেলে পুনরায় কুপ্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হলে তাকে জোরপূর্বক ঘরের ভেতরে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বাধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে কিল-ঘুষি ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়।
পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত জাকির হোসেন বাবু কুপ্রস্তাবের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার সময় ঝর্না খাতুন তার কাছে নিজের একটি সহ চারটি কার্ডের চাল দাবি করেন। কার্ডধারীদের উপস্থিতি ছাড়া চাল দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তাকে ধাক্কা দিয়ে দোকানের বাইরে বের করে দেওয়া হয়।
তিনি দাবি করেন, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।