রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী কাপাসিয়ায় জাহিদ নিখোঁজের তিনদিন পর লাশ মিলল নদীতে কালীগঞ্জে শ্বশুরকে কুড়ালের কোপে হত্যা, থানায় এসে আত্মসমর্পণ জামাইয়ের রাজধানীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন, ২৫ টাকা দরে কিনবে সরকার : শাহে আলম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা এবং বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ গাজীপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইয়েদুর রহমানের ইন্তেকাল মহানবীর (সা) আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিকল্প নেই – এটিএম কামরুল ইসলাম

রোটারি ক্লাব অব ভাওয়ালের আয়োজনে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ-১৪৩৩

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৮ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার: নানা আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে রোটারি ক্লাব অব ভাওয়াল।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২০২৬) সকালে গাজীপুর মহানগরের তিতারকুল চিলাই নদীর তীরে আনন্দ শোভাযাত্রা, গ্রামীণ খাবার পরিবেশন ও সাংস্কৃতিক আবহে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হয়। সকালে রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও ঐতিহ্যবাহী সাজে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়।

শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী রোটারিয়ানরা সাদা পোশাকের সঙ্গে মাথায় লাল-সাদা গামছা বেঁধে বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতিকে ধারণ করেন। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা যায়, যা উৎসবে নতুন মাত্রা যোগ করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট, বিশিষ্ট নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ রোটারিয়ান ডা. অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “বাংলা নববর্ষ আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক। এই উৎসব আমাদের ভেদাভেদ ভুলে একসাথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়। রোটারি ক্লাব সবসময় মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সংস্কৃতি লালনে ভূমিকা রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অব টাঙ্গাইল সিটি-এর প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মো. সামছুল আলম শিবলী। তিনি বলেন, “পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে আমাদের শেকড়ের সঙ্গে পরিচিত করে এবং সমাজে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে।”

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ক্লাবের সেক্রেটারি রোটারিয়ান মাহমুদুর রহমান পলাশ। এ সময় ক্লাবের অন্যান্য সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজনে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খাবার যেমন মুড়ি, খই, নাড়ু, পিঠা ও মিষ্টান্ন পরিবেশন করা হয়। পাশাপাশি নদীর তীরে মনোরম পরিবেশে অংশগ্রহণকারীরা বাংলা নববর্ষের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।

উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী এই আয়োজন বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর