বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নরনিংদীতে বাবার হাতে ছেলে খুন নেপথ্যে মাদক পলিথিন ও প্লাস্টিকের বিস্তার ঠেকাতে অভিযান জোরদার ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ব্যাংককে জি-২০ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রীদের বৈঠক শুরু আজ মসজিদে অনৈতিক কাজের দায়ে মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত গাজীপুরে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের দায়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন : ২১ ইউনিটের চেষ্টায় প্রায় ৩ ঘন্টা পর নিয়ন্ত্রণে গাজীপুরে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের দায়ে দুইজনকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা গাজীপুরে বিএসটিআই এর উদ্যোগে বিশ্ব মান দিবস পালন

চট্টগ্রাম বন্দরে বাড়বে ৪১ শতাংশ মাশুল

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪১৭ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার: প্রায় ৩৯ বছর পর মাশুল বাড়াতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর। প্রস্তাবিত হার অনুযায়ী বন্দর সেবায় গড়ে ৪১ শতাংশ মাশুল বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে বন্দর ব্যবহারকারীদের আপত্তির মুখে মাশুল বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আবার পর্যালোচনায় বসছে মন্ত্রণালয়।

আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বন্দর ব্যবহারকারী আমদানি-রপ্তানিকারদের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে বন্দর চেয়ারম্যান, সদস্যসহ (অর্থ) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নিতে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

নতুন মাশুল কার্যকর হলে বন্দরের আয় বাড়বে গড়ে ৪১ শতাংশ। বন্দরের সব মাশুল নির্ধারিত হয় ডলারে। যে কারণে দেশে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি হলে তার সঙ্গে একইহারে মাশুলের পরিমাণ বাড়বে।

প্রস্তাবনা অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি মাশুল বাড়ানো হয়েছে কনটেইনার পরিবহনে। এতে প্রতি ২০ ফুটের কনটেইনারে গড়ে ১১ হাজার ৮৪৯ টাকা মাশুল আদায় করে। নতুন হার কার্যকর হলে কনটেইনারপ্রতি বাড়তি দিতে হবে গড়ে চার হাজার ৩৯৫ টাকা। এতে আমদানি কনটেইনারে বাড়বে পাঁচ হাজার ৭২০ টাকা। রপ্তানি কনটেইনারে বাড়বে তিন হাজার ৪৫ টাকা। সব মিলিয়ে কনটেইনারপ্রতি গড়ে ১৬ হাজার ২৪৩ টাকা মাশুল দিতে হবে।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত পরিচালক ও ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের সভাপতি এস এম আবু তৈয়ব বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক বসিয়েছে। এতে রপ্তানিকারকরা চাপে আছেন। তার ওপর বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের মাশুল ৪১ শতাংশ বাড়ালে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এতে রপ্তানিকারকদের সক্ষমতা কমে যাবে। রপ্তানিকারকরা দুদিকে মাশুল গুনেন। রপ্তানির পণ্য তৈরির কাঁচামাল আমদানির সময় একবার মাশুল দিতে হয়। তৈরি পণ্য রপ্তানির সময় আরেকবার মাশুল দিতে হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর