বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাভাবিপ্রবির ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে স্ত্রী হত্যার ঘটনায় স্বামী গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গাজীপুর সিটিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেন্ডার নিয়ে বিতর্ক: তদন্ত ও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ভাওয়াল গড় ইউনিয়নের মানুষের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য : আলহাজ্ব মোঃ জয়নাল আবেদীন রিজভী গাজীপুরে তিতাস গ্যাসের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা : ১ বছর কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় গাজীপুর নগরী, এক যুগেও মিলেনি জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান স্টার্টআপের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী কালীগঞ্জে নগর মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্পের পরামর্শকরণ সভা অনুষ্ঠিত ফটিকছড়িতে গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামাল নামে কাঠুরিয়ার মৃত্যু গাজীপুরে লাইসেন্স ও সনদ ছাড়াই ফিড বিক্রির অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা

ডাক্তাররা বলতে পারছেন না গুলিগুলো বের করা যাবে কিনা

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৫৪ ভিজিটর

১৬ই জুলাই দিনটি কখনই ভুলতে পারব না। সেই বিভীষিকাময় দিনটির কথা মনে পড়লে এখনো শিউরে ওঠে গা, চোখের সামনে ভেসে ওঠে আবু সাঈদের মুখখানা, আরো ভেসে ওঠে শত শত ছাত্রের আর্তচিৎকার, রংপুর মেডিকেলের ৬নং ওয়ার্ড, আমার রক্তে ভেজা শার্ট, পুলিশের পাশবিকতা। এদিন রংপুর খামার মোড়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের জন্য কয়েক হাজার শিক্ষার্থীসহ আমরা জড়ো হই। দুপুরের খাঁ খাঁ রোদের মধ্য দিয়েই আমাদের মিছিলটি একপর্যায়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে যায়। যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১নং গেইটের (বর্তমানে শহীদ আবু সাঈদ গেইট) সামনে যায়, তখন পুলিশি বাধা শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশ আমাদের ওপর লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও গুলি করে। শুরু হয় প্রাণ বাঁচানোর ভয়ে বিক্ষিপ্তভাবে ছুটাছুটি। চারদিকে টিয়ারশেলের ধোঁয়া, গুলির মুহুর্মুহু শব্দ, আহতদের আর্তনাদ। আমিও ছিলাম তাদেরই একজন, যারা প্রাণের ভয়ে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছিল। ঠিক তখন পেছন থেকে কিছু একটা এসে আমার মাথায়, ঘাড়ে, কানে লাগে। রক্ত গড়িয়ে পড়তে পড়তে সাদা শার্ট রক্তিম বর্ণ ধারণ করে। দুই চোখ ঝাপসা হয়ে আসছিল। নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পর অনেকটা নিস্তেজ হয়ে পড়ি। রংপুর মেডিকেলে ভর্তির পর জানতে পারি ১২টা ছররা গুলি লেগেছে। কিছু গুলি কান ছিদ্র করে বেরিয়ে গেছে, কিছু গুলি মাথা ও ঘাড়ে ঢুকে আছে। এ ব্যথায় অনেকদিন বসে বসে রাত কাটাতে হয়েছে। চিকিৎসার জন্য কয়েকজন ডাক্তারকে দেখিয়েছি। তারা নিশ্চিতভাবে বলতে পারছেন না অপারেশন করে গুলিগুলো বের করা যাবে কিনা। মধ্যবিত্ত পরিবার হওয়ায় এখনো সার্জারি করানো হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসার জন্য সহায়তা পাইনি।

তৌহিদুল ইসলাম তুহিন 

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর