বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে মোংলায় আরো শিল্পকারখানা গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী দুবাইতে‘এনআরবি সিআইপি সম্মাননা ২০২৬’ রিয়াদ বাংলা স্কুলের বিওডি নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা: ভোটের আগেই প্যানেল কোন্দল, হাতাহাতির অভিযোগ! গাজীপুরে তিতাসের লিকেজ সার্ভে টিমে হামলা, আহত ৬ জন হাসপাতালে ভর্তি কালীগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় ঘাতক পিকআপ উদ্ধার, হেলপার গ্রেপ্তার  রাষ্ট্রপতির সঙ্গে গাজীপুর কৃষি বিশ্বব্যিালয় উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইস্টার্ন টিউবস এ এলইডি  বাল্বের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কার্যক্রমের  উদ্বোধন ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে গাজীপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ কালীগঞ্জে ১৪ দিন পর দুই ডাকাত ও দুই ট্রাকসহ মালামাল উদ্ধার খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করে- ফজলুল হক মিলন, এমপি

রিয়াদ বাংলা স্কুলের বিওডি নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা: ভোটের আগেই প্যানেল কোন্দল, হাতাহাতির অভিযোগ!

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৪ ভিজিটর

সৌদি (রিয়াদ) প্রতিনিধি: পদ-পদবি ভাগাভাগি নিয়ে রোকনুজ্জামান ও শফিক সিরাজের মধ্যে সংঘর্ষের দাবি; পরে ইস্তেরাহায় সমঝোতা বৈঠক, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রিয়াদ (বাংলা শাখা)-এর আসন্ন বোর্ড অব ডিরেক্টরস (BOD) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই প্যানেল গঠন, পদ-পদবি বণ্টন এবং অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। এরই মধ্যে প্রার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির অভিযোগে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, রিয়াদের শিফা এলাকায় সাবেক বিওডির কয়েকজন সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা একটি প্যানেল গঠন এবং পদ-পদবি বণ্টন নিয়ে আলোচনায় বসেন। সাবেক বিওডি বিতর্কীত ও সমালোচিত সদস্য রফিকের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে একপর্যায়ে পদ-পদবি ভাগাভাগি নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। এর জেরে রোকনুজ্জামান ও শফিক সিরাজের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় থেকে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। আসন্ন নির্বাচনের নির্বাচন কমিশনের সদস্য আবুল বাসার ও সেলিমের উপস্থিতিতে শিফা এলাকার একটি ইস্তেরাহায় সমঝোতা বৈঠকের আয়োজন করা হয়। তবে এই বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের উপস্থিতি নিয়েই এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

সাধারণ অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন, নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিষ্পত্তির বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের অংশগ্রহণ কতটা যুক্তিসংগত? নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব যেখানে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, সেখানে এ ধরনের বৈঠকে তাদের ভূমিকা কী ছিল তা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন অনেকে।

অন্যদিকে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সৌদি আরবের শিক্ষা মন্ত্রণালয় (MOE)-এর প্রযোজ্য বিধিবিধান ও নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ না করেই বিশেষ একটি মহলের সুবিধা বিবেচনায় নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।

নির্বাচনকে ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে, সমঝোতা বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের ভূমিকা কী ছিল এবং নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার ক্ষেত্রে MOE-এর নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি কেন?

সচেতন অভিভাবকদের মতে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত বিরোধ, পদ-পদবির দরকষাকষি কিংবা দলীয় সমীকরণের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ, শিক্ষার পরিবেশ আমরা প্রত‍্যাশা করি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর