গাজীপুর প্রতিনিধি: আনন্দ টেলিভিশনের গাজীপুর সিটি রিপোর্টার ও টঙ্গী প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক শেখ রাজিব হাসান (৩৫) আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। শনিবার (৮ আগস্ট) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
শেখ রাজিব হাসান গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের টেকবাড়ি এলাকার বাসিন্দা এবং আঃ রাজ্জাকের ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, চার কন্যা ও এক পুত্র সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
জানা যায়, গত ২১ জুলাই অটোরিকশায় যাওয়ার সময় একটি পিকআপ গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন সাংবাদিক শেখ রাজিব হাসান। দুর্ঘটনার পর তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।
শেখ রাজিব হাসানের অকাল মৃত্যুতে গাজীপুর ও টঙ্গীর সাংবাদিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে বিএনপি, আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সহকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
সহকর্মীরা জানান, শেখ রাজিব হাসান পেশাগত দায়িত্ব পালনে ছিলেন আন্তরিক ও নিষ্ঠাবান। স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা, নাগরিক দুর্ভোগ ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় গণমাধ্যমে তুলে ধরতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখতেন। তাঁর অকাল মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজ একজন সহকর্মী ও প্রিয় মানুষকে হারিয়েছে।
শনিবার বাদ আসর এরশাদনগর সংলগ্ন টেকবাড়ি মসজিদে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
মৃত্যুকালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সী এই সাংবাদিক চার কন্যা ও এক পুত্র সন্তান রেখে গেছেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক ও শূন্যতা।
শুভাকাঙ্ক্ষীরা প্রার্থনা করে যে, হে মহান আল্লাহ তায়ালা মরহুম শেখ রাজিব হাসানের জীবনের সকল গুনাহ ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করুন।