আমিরাত প্রতিনিধি : যথাযোগ্য মর্যাদায় আবুধাবিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস- ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। দূতাবাস ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, আবুধাবিস্থ জনতা ব্যাংক, বাংলাদেশ বিমান, শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল হতে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ সহ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার স্থানীয় প্রতিনিধিগণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশীরা উপস্থিত ছিলেন। মধ্যপ্রাচ্যসহ সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিধিবিধান অনুসরণ করে দূতাবাস এবারে সীমিত কর্মসূচীর মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস- ২০২৬ পালন করেছে।
দিনের শুরুতে সকলের উপস্থিতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সূচনা করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর শহিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সম্ভ্রম হারানো মা-বোন এবং সকল দেশপ্রেমিক মানুষের অবদানকে স্মরণ করে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে অবদান রাখা বিদেশি বন্ধুদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
পরিশেষে, মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কল্যাণ কামনা এবং নবনির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের আরও সমৃদ্ধি, শান্তি ও উন্নতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

অপরদিকে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, দুবাই-এ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।
২৬ মার্চ প্রত্যুষে কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে কনসাল জেনারেল মোঃ রাশেদুজ্জামান আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করেন। এরপর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে কনস্যুলেট মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এসময় মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রেরিত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। পরে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা পর্বে দুবাই ও উত্তর আমিরাতের বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তারা স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং প্রবাসীদের কল্যাণে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।