সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুলে ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী কাপাসিয়ায় জাহিদ নিখোঁজের তিনদিন পর লাশ মিলল নদীতে কালীগঞ্জে শ্বশুরকে কুড়ালের কোপে হত্যা, থানায় এসে আত্মসমর্পণ জামাইয়ের রাজধানীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন, ২৫ টাকা দরে কিনবে সরকার : শাহে আলম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা এবং বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ গাজীপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইয়েদুর রহমানের ইন্তেকাল মহানবীর (সা) আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দলীয় বিবেচনায় কাউকে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে না : কৃষিমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪০ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার : কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দলীয় বিবেচনায় কাউকে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে না। প্রান্তিক ২ কোটি ২৭ লাখ টার্গেট ধরে কার্ড দেওয়া হবে। সবাই পর্যায়ক্রমে পাবেন।

রোববার সকালে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সসম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কৃষি খাতকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কৃষককেন্দ্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে এই উদ্যোগ কৃষকদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রত্যেক কৃষকের জন্য একটি সর্বজনীন ডিজিটাল ইউনিক পরিচয়পত্র হিসেবে ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা ব্যাংকিং সুবিধাসহ বিভিন্ন কৃষিসেবা সহজে নিতে পারবেন। ইতোমধ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কৃষকের নামে ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে এবং কার্ড বিতরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ১১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক ২০ হাজার ৬৭১ জন (৯৩.৭%); মাঝারি কৃষক ১ হাজার ৩০৩ জন; বড় কৃষক ৯১ জন। আর্থিক সহায়তা ও সুবিধা প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের প্রতি বছর ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।

এছাড়া কৃষক কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া যাবে ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর