বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাভাবিপ্রবির ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে স্ত্রী হত্যার ঘটনায় স্বামী গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গাজীপুর সিটিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেন্ডার নিয়ে বিতর্ক: তদন্ত ও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ভাওয়াল গড় ইউনিয়নের মানুষের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য : আলহাজ্ব মোঃ জয়নাল আবেদীন রিজভী গাজীপুরে তিতাস গ্যাসের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা : ১ বছর কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় গাজীপুর নগরী, এক যুগেও মিলেনি জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান স্টার্টআপের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী কালীগঞ্জে নগর মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্পের পরামর্শকরণ সভা অনুষ্ঠিত ফটিকছড়িতে গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামাল নামে কাঠুরিয়ার মৃত্যু

দলীয় বিবেচনায় কাউকে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে না : কৃষিমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩৮ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার : কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দলীয় বিবেচনায় কাউকে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে না। প্রান্তিক ২ কোটি ২৭ লাখ টার্গেট ধরে কার্ড দেওয়া হবে। সবাই পর্যায়ক্রমে পাবেন।

রোববার সকালে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সসম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কৃষি খাতকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কৃষককেন্দ্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে এই উদ্যোগ কৃষকদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রত্যেক কৃষকের জন্য একটি সর্বজনীন ডিজিটাল ইউনিক পরিচয়পত্র হিসেবে ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা ব্যাংকিং সুবিধাসহ বিভিন্ন কৃষিসেবা সহজে নিতে পারবেন। ইতোমধ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কৃষকের নামে ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে এবং কার্ড বিতরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ১১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক ২০ হাজার ৬৭১ জন (৯৩.৭%); মাঝারি কৃষক ১ হাজার ৩০৩ জন; বড় কৃষক ৯১ জন। আর্থিক সহায়তা ও সুবিধা প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের প্রতি বছর ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।

এছাড়া কৃষক কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া যাবে ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর