মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সরকার বৈধ উপায়ে কর্মী পাঠাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : আরিফুল হক চৌধুরী সবার সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধান সংশোধন করতে চায় সরকার : সালাহউদ্দিন আহমেদ বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুতে এমপি মিলনের শোক জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : হুমায়ুন ক‌বির দুদকের প্রেস ব্রিফিং চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আসিফ মাহমুদের রিট গাজীপুরে উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০ উদ্যোক্তাকে ঋণ প্রদান পূজা উপলক্ষে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে, মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে : খালেকুজ্জামান বাবলু জয়দেবপুরে কাচ্চি ডাইনে ২ লাখ টাকা জরিমানা রামা লুসাই—দুই খেলায় এক অনন্য কিংবদন্তি

সবার সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধান সংশোধন করতে চায় সরকার : সালাহউদ্দিন আহমেদ

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিরোধী দলসহ সবার সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধান সংশোধন করতে চায় সরকার।

মঙ্গলবার সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

বিরোধী দলকেও সংবিধান সংশোধন কমিটিতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত। আমরা আহ্বান জানাই, তারা যেন সংবিধান সংশোধন কমিটিতে নাম দেন, অন্তর্ভুক্ত হন এবং আলোচনায় আসেন। আমরা সবার সাথে আলোচনা করে অংশগ্রহণমূলক ইনক্লুসিভ একটা সংশোধনী আনতে চাই।’

তিনি আরও জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন সামাজিক শক্তি, সংগঠন, ব্যক্তিত্ব, বিগত ১৭ বছরে গুম, খুন ও নিপীড়নের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবার এবং শহীদ পরিবারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে বৈঠক করা হবে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত ও পরামর্শ নেওয়ার পর সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হবে।

পরবর্তীতে সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপন করা হবে এবং সংসদের ভেতরে-বাইরে সর্বস্তরের আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী পাস করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আজকের বৈঠকে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘প্রস্তাব এসেছে দুইকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্টের আদৌ বাংলাদেশে প্রয়োজন আছে কি না? যেহেতু এটা একক রাষ্ট্র। তবে আমরা জুলাই জাতীয় সনদে একমত হয়েছি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট গঠন করব। এই হিসাবেই আমরা যেতে চাই।’

এছাড়া বৈঠকে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সবার কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে, যা উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে পার্লামেন্ট বিবেচনা করে চূড়ান্ত করবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর