এস এম মঈন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: পরকীয়ার টানে শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করার পর, অবশেষে নিজের ভুল বুঝতে পেরে তাকে ডিভোর্স দিলেন জামাই রবিউল ইসলাম। ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের ইন্দ্রনগর গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইন্দ্রনগর গ্রামের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম এক সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই সংসার চালিয়ে আসছিলেন। রবিউল ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের শিক্ষাগত ও পারিবারিক সচেতনতার অভাব থাকায়, ধীরে ধীরে সুন্দরী শাশুড়ি নাজমুন নাহারের সাথে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। সময়ের সাথে সাথে শাশুড়ি-জামাইয়ের এই সম্পর্ক পারিবারিক গণ্ডি পেরিয়ে পরকীয়া প্রেমে রূপ নেয়।
নিজের মেয়ের সুখের সংসারের তোয়াক্কা না করে, চোখের নেশা ও আবেগের বশবর্তী হয়ে শাশুড়ি ও জামাই একসাথে পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তারা সমাজ ও লোকলজ্জা উপেক্ষা করে পালিয়ে গিয়ে বিয়েও বন্ধনে আবদ্ধ হন। পালিয়ে যাওয়ার সময় নিজের মেয়ের উদ্দেশ্যে মা একটি বার্তা দিয়ে যান, “আমার পথ আমি বেছে নিলাম, তোর পথ তুই দেখে নে!”
জামাই-শাশুড়ি পালিয়ে যাওয়ার পর দুই পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন উপায়ে তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। দীর্ঘ কয়েক মাস নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে তাদের সন্ধান মেলে।
এরপর রবিউলের পরিবার তাকে বুঝিয়ে এবং শাসনের মাধ্যমে পারিবারিক ও সামাজিক নৈতিকতার বিষয়টি অনুধাবন করাতে সক্ষম হয়। নিজের ভুল বুঝতে পেরে রবিউল ইসলাম তার পিতা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে স্ত্রী রূপী শাশুড়ি নাজমুন নাহারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিভোর্স (তালাক) প্রদান করেন। এর মাধ্যমে অবসান ঘটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঞ্চল্য তৈরি করা এই অনৈতিক অধ্যায়ের।