বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাভাবিপ্রবির ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে স্ত্রী হত্যার ঘটনায় স্বামী গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গাজীপুর সিটিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেন্ডার নিয়ে বিতর্ক: তদন্ত ও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ভাওয়াল গড় ইউনিয়নের মানুষের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য : আলহাজ্ব মোঃ জয়নাল আবেদীন রিজভী গাজীপুরে তিতাস গ্যাসের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা : ১ বছর কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় গাজীপুর নগরী, এক যুগেও মিলেনি জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান স্টার্টআপের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী কালীগঞ্জে নগর মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্পের পরামর্শকরণ সভা অনুষ্ঠিত ফটিকছড়িতে গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামাল নামে কাঠুরিয়ার মৃত্যু গাজীপুরে লাইসেন্স ও সনদ ছাড়াই ফিড বিক্রির অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা

দেশের মোবাইল গ্রাহকদের জন্য আসছে বড় সুখবর

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৫ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের মোবাইল গ্রাহকদের জন্য আসছে বড় সুখবর। ঘরের ভেতরে দুর্বল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সমস্যার সমাধানে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)। সংস্থাটি ‘ই-জিএসএম’ ব্যান্ডের তরঙ্গ বরাদ্দ দিয়ে মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্ক সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

বর্তমানে দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ মোবাইল ব্যবহারকারী শহরে এবং বাকি ৬০ শতাংশ উপশহর ও গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাস করেন। শহরে নেটওয়ার্ক তুলনামূলক ভালো হলেও গ্রাম ও প্রত্যন্ত এলাকায় সেবার মান এখনও দুর্বল। বিশেষ করে ঘরের ভেতরে কল ড্রপ, দুর্বল সিগন্যাল ও ধীরগতির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ভোগান্তির প্রধান কারণ।

নেটওয়ার্কের মান উন্নত করতে বিটিআরসি ইতোমধ্যে ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে তরঙ্গ বরাদ্দ দিয়েছে গ্রামীণফোনকে। এর ধারাবাহিকতায় এখন ‘ই-জিএসএম’ ব্যান্ড ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে বিটিআরসির কাছে ৮.৪ মেগাহার্টজ ‘ই-জিএসএম’ তরঙ্গ রয়েছে। এর মধ্যে ৩.৪ মেগাহার্টজ করে চেয়েছে রবি ও বাংলালিংক। তবে চূড়ান্ত বরাদ্দের আগে এক মাসের পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হয়েছে, যাতে সীমান্ত এলাকায় ৮৫০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের সাথে কোনো বিঘ্ন ঘটে কি না, তা যাচাই করা যায়।

রবির কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ই-জিএসএম’ প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য তাদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রস্তুত রয়েছে, ফলে দ্রুত গ্রাহকদের উন্নত সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। অন্যদিকে বাংলালিংক জানিয়েছে, পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী তারা পরবর্তী বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ সফল হলে ঘরের ভেতরে মোবাইল সিগন্যাল শক্তিশালী হবে, কল ড্রপ কমবে, ইন্টারনেটের গতি ও স্থিতিশীলতা বাড়বে এবং গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সংযোগ আরো উন্নত হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর