সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুলে ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী কাপাসিয়ায় জাহিদ নিখোঁজের তিনদিন পর লাশ মিলল নদীতে কালীগঞ্জে শ্বশুরকে কুড়ালের কোপে হত্যা, থানায় এসে আত্মসমর্পণ জামাইয়ের রাজধানীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন, ২৫ টাকা দরে কিনবে সরকার : শাহে আলম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা এবং বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ গাজীপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইয়েদুর রহমানের ইন্তেকাল মহানবীর (সা) আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আবুধাবির বাংলাদেশ দূতাবাসে সিআইপিদের সাথে মতবিনিময় “মিট দ্য সিআইপি” অনুষ্ঠিত

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৮৪ ভিজিটর

আবুধাবি প্রতিনিধি : বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত আমিরাতের ৪১ জন গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ব্যক্তিত্ব (সিআইপি)-এর সম্মানে (শুক্রবার) রাতে বাংলাদেশ দূতাবাস, আবুধাবিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখা প্রবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন।

প্রতিবারের মতো এবারও প্রআবুধাবিতে প্রবাসী সিআইপি তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রবাসীরা। সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রেরণকারী নির্বাচিত ৮৬ জন প্রবাসী সিআইপির মধ্যে ৪১ জনই আমিরাতের। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় দুই ক্যাটাগরিতে ৪১ জন ব্যবসায়ী এই স্বীকৃতি অর্জন করেন।

সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দূতাবাসের ডেপুটি মিশন প্রধান শাহনাজ আক্তার রানু। তিনি উপস্থিত সিআইপিদের রাষ্ট্রের হৃদয় হিসেবে উল্লেখ করেন। ৪.৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখায় তিনি সিআইপি ও অন্যান্য প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। অনুষ্ঠানে সিআইপিগণ আমিরাতে শ্রমিক ভিসা বন্ধ থাকা, মৃতদেহ পরিবহন সুবিধা, প্রবাসীদের বিমানবন্দরে অপ্রতুল সেবা, দূতাবাস ও কনসুলেটে সেবার মান বৃদ্ধিসহ নানা বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন। আয়োজনের জন্য দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানিয়ে সিআইপিগণ দেশে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখার আগ্রহ জানিয়ে সুযোগ তৈরি করার জন্য দূতাবাসের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে দুবাইয়ে নিযুক্ত কনসাল জেনারেল মোঃ রাশেদুজ্জামান বলেন, সিআইপিরা দেশের অর্থনীতিকে কেবল স্থিতিশীলই করেননি, বরং এগিয়ে নিতেও ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি সিআইপিদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রবাসীদের মৃতদেহ পরিবহনসহ ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে আরও বেশি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত তারেক আহমদ বিভিন্ন প্রদেশ থেকে আগত সিআইপিদের অভিনন্দন জানান। শূন্য হাতে আরব আমিরাতে এসে খ্যাতিমান ব্যবসায়ী হয়ে ওঠার গল্প নিয়ে তিনি একটি ‘বুক অব স্টোরি’ তৈরির ঘোষণা দেন। সীমিত আয়ের প্রবাসীরা যাতে বিনা খরচে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারেন সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নিজের পরিকল্পনার কথা জানান রাষ্ট্রদূত। তিনি সিআইপিদের বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) মোহাম্মদ উল্লাহ খানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জনতা ব্যাংকের সিইও, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপকসহ আমন্ত্রিত অতিথিগণ।

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৪০ জন বাংলাদেশে বৈধ চ্যানেলে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী ক্যাটাগরিতে এবং ১ জন বিদেশে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিকারক ক্যাটাগরিতে সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচিতদের মধ্যে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী ক্যাটাগরি রয়েছেন, মোহাম্মদ রুবেল (চট্টগ্রাম),সাইফুল ইসলাম চট্টগ্রাম (হাটহাজারী),মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (চট্টগ্রাম), মোহাম্মদ খালেদ (চট্টগ্রাম), আবুল হাসেম (চট্টগ্রাম), নিজাম উদ্দিন (চট্টগ্রাম), নূর নবী(চট্টগ্রাম), ওসমান গণি (চট্টগ্রাম), নজরুল ইসলাম (চট্টগ্রাম), মোহাম্মদ সেলিম (চট্টগ্রাম), সেলিম উদ্দিন (চট্টগ্রাম), মোহাম্মদ জাফর (চট্টগ্রাম), মো. ওসমান আলী (চট্টগ্রাম), ফরিদুল আলম (চট্টগ্রাম), হাসান মোরশেদ (চট্টগ্রাম), মহিউদ্দীন তালুকদার (চট্টগ্রাম), শহিদুল ইসলাম (চট্টগ্রাম), মাহাবুল আলম (চট্টগ্রাম), আবছার উদ্দিন (চট্টগ্রাম), শেখ আবদুল আজাদ (চট্টগ্রাম), মনজুরুল হক চৌধুরী (চট্টগ্রাম), শফিকুল ইসলাম রাহী (চট্টগ্রাম), রফিকুল ইসলাম (কুমিল্লা), জয়নাল আবেদীন (কক্সবাজার),আমিনুল হক (চট্টগ্রাম), শফিউল আলম (চট্টগ্রাম), মুহাম্মদ আবুল বছর (চট্টগ্রাম), মজিবুর রহমার (চাঁদপুর), মো. ইলিয়াছ (নোয়াখালী), মঈন হোসেন (ঢাকা), রুকন উদ্দিন (মৌলভীবাজার), আল আমিন (জামালপুর), ফাহিম আহমেদ (সিলেট), মো. সামছুজ্জামান (ব্রাহ্মণ্যবাড়িয়া), আব্দুল করিম (মৌলভীবাজার), কামরুল হাসান (ঢাকা), সিফাতউল্লাহ (ঝালকাঠি), আতিকুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), শফিকুল ইসলাম (কুমিল্লা), রাশেদুল হাসান মিন্টু (নরসিংদী)।

বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিকারক ক্যাটেগরিতে স নির্বাচিত হয়েছেন, মোহাম্মদ জুলপিফিকার ওসমান (চট্টগ্র্রাম)।
অনুষ্ঠানে সিআইপিদের হাতে ফুলের তোড়া ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয় এবং ঐতিহ্যবাহী দেশি খাবার দিয়ে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর