স্টাফ রিপোর্টার: নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলে বিএনপির শুনানির শেষে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার আর্জি জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। বুধবার (৫ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে আষ্টম দিনের আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন আদালতে বিএনপির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। বিএনপির শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করছেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
শুনানিতে রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করায় জাতির ভাগ্যে অমানিশা নেমে এসেছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ। তাই সংবিধানে আমরা এ ব্যবস্থা ফেরত চাই।
গত ২১ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের শুনানি শুরু হয়। আপিলের দ্বিতীয় দিনের শুনানি শেষ হয় ২২ অক্টোবর। এ দুদিন রিটকারী বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে শুনানি শেষ করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া। এরপর ২৩ অক্টোবর তৃতীয় দিনের মতো মামলাটির শুনানি হয়। ২৮ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের চতুর্থ দিনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি শেষ করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। ২৯ অক্টোবর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের পঞ্চম দিন, ৩ ও ৪ নভেম্বর ষষ্ঠ এবং সপ্তম দিনের মতো শুনানি করেন বিএনপির আইনজীবীরা।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন আপিল বিভাগ। পুনরায় এ বিষয়ে আপিল শুনবেন বলে জানান আদালত। এরই ধারাবাহিকতায় মামলাটি শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। সেদিন আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান শুনানি করেন।