শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাপাসিয়ায় বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাভাবিপ্রবির ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে স্ত্রী হত্যার ঘটনায় স্বামী গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গাজীপুর সিটিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেন্ডার নিয়ে বিতর্ক: তদন্ত ও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ভাওয়াল গড় ইউনিয়নের মানুষের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য : আলহাজ্ব মোঃ জয়নাল আবেদীন রিজভী গাজীপুরে তিতাস গ্যাসের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা : ১ বছর কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় গাজীপুর নগরী, এক যুগেও মিলেনি জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান স্টার্টআপের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী কালীগঞ্জে নগর মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্পের পরামর্শকরণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রাথমিকে দাওরা হাদিস সনদধারীদের ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগে ধর্ম উপদেষ্টার চিঠি

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭৯ ভিজিটর
সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কওমি মাদরাসার দাওরা হাদিস সনদধারীদের ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টাকে চিঠি দিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ধর্ম উপদেষ্টা এ তথ্য জানান।

হেফাজতে ইসলাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষকের বদলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবির বিষয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করছে বলেও জানান খালিদ হোসেন।

হেফাজতে ইসলাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষকের বদলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের কথা বলেছেন। উপদেষ্টা হিসেবে আপনি কি মনে করেন- জানতে চাইলে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা সাধারণত আমার মন্ত্রণালয়ের আওতায় নয়, এটা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায়। তবে তারা (হেফাজতের নেতারা) যে দাবি করছেন আমি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টাকে বলেছি যে এটা নিয়ে আপনার বসা দরকার। যেহেতু হেফাজত ইসলামসহ আলেম-ওলামাদের পক্ষ থেকে আপত্তি আছে সংগীত সাবজেক্ট হিসেবে ইনক্লুড করার। তিনি (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা) আমাকে বলেন, ধর্মীয় শিক্ষক নামে আমাদের কোনো পোস্ট আগে ছিল না। সহকারী শিক্ষকরাই বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সমাজ ও ধর্ম এগুলো পড়াতেন।’

খালিদ হোসেন বলেন, ‘তিনি আমাকে বললেন যে ধর্ম শিক্ষার ক্লাস এরই মধ্যে বৃদ্ধি করা হয়েছে। আমি তাকে একটা ডিও লেটার (আধা-সরকারি পত্র) দিয়েছিলাম দায়িত্ব নেওয়ার ৬/৭ মাসের মধ্যে। আমি বলেছি, যে সমস্ত কওমি মাদরাসার ছাত্রের দাওরা হাদিসের সনদ আছে, যেটা বিগত সরকার এমএ অ্যারাবিক ও এমএ ইসলামিক স্টাডিজের সমমর্যাদা দিয়েছিল। আপনি তাদের প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক হিসেবে নিলে তারা ধর্ম, বাংলা এগুলো খুব ভালো করে পড়াতে পারবেন।’

তিনি (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা) বলেছেন, ‘আমি এটা বিবেচনা করবো। আমি এটা ডিও লেটার তাকে দিয়েছি, তো এটা তার মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার। তারপরও আমি তার সঙ্গে আলাপ করবো এ ব্যাপারে।।’

খালিদ হোসেন বলেন, প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় হেফাজতের আপত্তি পর্যালোচনার মধ্যে আছে। হেফাজতের দাবি ও বিভিন্ন ইসলামিক দলের দাবির ভিত্তিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এটা বিবেচনা করছে, কি করা যায়। সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিল হবে কি না- এটা তো তার মন্ত্রণালয়ের কথা আমি বলাতে পারবো না।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর