শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এটলাস বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ‘এটলাস ইভি’ এক্সক্লুসিভ শোরুমের উদ্বোধন কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ইউপি সদস্যাকে মারধরের অভিযোগ নাজিরহাটে যৌথ অভিযানে দুই দোকানকে জরিমানা, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস রোটারি ক্লাব অব ভাওয়ালের আয়োজনে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ-১৪৩৩ সোমবাজার ঈদগা মাঠে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে ৫ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা উদ্বোধন মাছের প্রজনন রক্ষায় সাগরে ৫৮ দিনের জন্য মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা ভিসা ছাড়াই ৩৬ দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা গাজীপুরে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ফটিকছড়িতে ইয়ং স্টার ক্লাবের উদ্যোগে চৈত্র সংক্রান্তি উদযাপন, সিঁদুর খেলা ও গীতাপাঠ অনুষ্ঠিত ফটিকছড়ির বিবিরহাটে যৌথ অভিযান: মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখায় জরিমানা

ইন্দোনেশিয়ায় স্কুল ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭৯ ভিজিটর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ায় স্কুল ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে। উদ্ধারকারীরা এখনো নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করে যাচ্ছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর এএফপির।

গত সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পূর্ব জাভা প্রদেশের সিদোয়ারজো শহরের আল খোজিনি ইসলামিক বোর্ডিং স্কুলে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুপুরের নামাজ চলাকালে ভবনের ভিত্তি ওপরের তলায় চলমান নির্মাণকাজের চাপ সামলাতে না পেরে ধসে পড়ে এবং শতাধিক কিশোর শিক্ষার্থীর ওপর ভেঙে পড়ে।

জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার (বাসার্নাস) অপারেশন ডিরেক্টর যুধি ব্রামান্তিও এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা ৫৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছি। ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে নিখোঁজদের উদ্ধারে এখনো কাজ করে যাচ্ছে উদ্ধারকর্মীরা।

যুধি ব্রামান্তিও বলেন, আশা করি আমরা আজ (সোমবার) উদ্ধারকাজ শেষ করতে পারব এবং আমরা মরদেহগুলো পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেব।

জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার (বিএনপিবি) উপ-প্রধান বুদি ইরাওয়ান বলেন, এটি ছিল এখন পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে মারাত্মক দুর্যোগ। তিনি আরও বলেন, কমপক্ষে ১৩ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

তদন্তকারীরা স্কুলটি ধসে পড়ার কারণ অনুসন্ধান করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাথমিক ইঙ্গিত থেকে বোঝা যাচ্ছে যে নিম্নমানের নির্মাণকাজ এই ঘটনার জন্য দায়ী হতে পারে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, ক্রেন দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরানো হচ্ছে। সোমবারের মধ্যে সব ধ্বংসস্তূপ সরানো শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শুক্রবার থেকে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার শুরু হয়। তার আগে উদ্ধারকর্মীরা সুড়ঙ্গ কেটে শিক্ষার্থীদের নাম ধরে ডাকছিলেন এবং সেন্সর দিয়ে প্রাণের চিহ্ন খুঁজছিলেন। তবে কোনো সাড়া মেলেনি।

আল খোজিনি স্থানীয়ভাবে ‘পেসানত্রেন’ বা ইসলামিক বোর্ডিং স্কুল নামে পরিচিত। ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম জনগোষ্ঠীর দেশ। সরকারি হিসাব অনুসারে, দেশটিতে প্রায় ৪২ হাজার ইসলামিক বোর্ডিং স্কুলে ৭০ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর