শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এটলাস বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ‘এটলাস ইভি’ এক্সক্লুসিভ শোরুমের উদ্বোধন কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ইউপি সদস্যাকে মারধরের অভিযোগ নাজিরহাটে যৌথ অভিযানে দুই দোকানকে জরিমানা, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস রোটারি ক্লাব অব ভাওয়ালের আয়োজনে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ-১৪৩৩ সোমবাজার ঈদগা মাঠে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে ৫ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা উদ্বোধন মাছের প্রজনন রক্ষায় সাগরে ৫৮ দিনের জন্য মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা ভিসা ছাড়াই ৩৬ দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা গাজীপুরে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ফটিকছড়িতে ইয়ং স্টার ক্লাবের উদ্যোগে চৈত্র সংক্রান্তি উদযাপন, সিঁদুর খেলা ও গীতাপাঠ অনুষ্ঠিত ফটিকছড়ির বিবিরহাটে যৌথ অভিযান: মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখায় জরিমানা

গাজীপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রেতাকে সতর্ক করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫
  • ৫০ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি না করতে মাংস বিক্রেতা শফিকুল ইসলামকে সতর্ক করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার মহানগরীর হায়দরাবাদ এলাকায় অভিযানকালে ওই মাংস বিক্রেতাকে সতর্ক করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জালাল উদ্দিন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জালাল উদ্দিন জানান, দেশে ঘোড়া জবাই ও ঘোড়ার মাংস বিক্রি অপ্রচলিত। তাই বিভিন্ন মহল থেকে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রিতে আপত্তি উঠায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় মাংস বিক্রেতা শফিকুল ইসলামকে ডেকে এনে ঘোড়া জবাই ও ঘোড়ার মাংস বিক্রি করতে নিষেধ করা হয়। অন্যথায় বুধবার (১৯ মার্চ) থেকে ২০১১ সালের পশু জবাই আইনে গ্রেফতার ও জেল জরিমানার কথা জানিয়ে তাকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকালে উপস্থিত গাজীপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহীন মিয়া জানান, ২০১১ সালের পশু জবাই ও মান নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ব্যাতীত এবং লাইসেন্স ছাড়া পশু জবাই ও মাংস বিক্রি দন্ডনীয় অপরাধ। এক্ষেত্রে এক বছরের জেল জরিমানার বিধান রয়েছে।

অভিযানকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে আশ্বস্ত করে স্থানীয়রা বলেন, এ এলাকায় আর ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি করতে দেওয়া হবে না। তারা জানান, বেশ কিছুদিন ধরে মহানগরীর হায়দরাবাদ এলাকায় দুবাই ফেরত আ ন ম নুরুল্লাহ মামুন তার বন্ধু শফিকুল ইসলামকে নিয়ে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি প্রচলন শুরু করেন। ঘোড়ার মাংসের চাহিদা দিন দিন বাড়তে থাকায় আড়াইশ টাকা কেজির মাংস তিন থেকে সাড়ে তিনশ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছিল। ঘোড়ার মাংস বিক্রির বিষয়টি বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রচারিত হলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হলে মঙ্গলবার ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি না করতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িকে সতর্ক করে দেয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর