রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী কাপাসিয়ায় জাহিদ নিখোঁজের তিনদিন পর লাশ মিলল নদীতে কালীগঞ্জে শ্বশুরকে কুড়ালের কোপে হত্যা, থানায় এসে আত্মসমর্পণ জামাইয়ের রাজধানীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন, ২৫ টাকা দরে কিনবে সরকার : শাহে আলম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা এবং বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ গাজীপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইয়েদুর রহমানের ইন্তেকাল মহানবীর (সা) আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিকল্প নেই – এটিএম কামরুল ইসলাম

গাজীপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রেতাকে সতর্ক করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫
  • ৬৬ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি না করতে মাংস বিক্রেতা শফিকুল ইসলামকে সতর্ক করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার মহানগরীর হায়দরাবাদ এলাকায় অভিযানকালে ওই মাংস বিক্রেতাকে সতর্ক করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জালাল উদ্দিন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জালাল উদ্দিন জানান, দেশে ঘোড়া জবাই ও ঘোড়ার মাংস বিক্রি অপ্রচলিত। তাই বিভিন্ন মহল থেকে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রিতে আপত্তি উঠায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় মাংস বিক্রেতা শফিকুল ইসলামকে ডেকে এনে ঘোড়া জবাই ও ঘোড়ার মাংস বিক্রি করতে নিষেধ করা হয়। অন্যথায় বুধবার (১৯ মার্চ) থেকে ২০১১ সালের পশু জবাই আইনে গ্রেফতার ও জেল জরিমানার কথা জানিয়ে তাকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকালে উপস্থিত গাজীপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহীন মিয়া জানান, ২০১১ সালের পশু জবাই ও মান নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ব্যাতীত এবং লাইসেন্স ছাড়া পশু জবাই ও মাংস বিক্রি দন্ডনীয় অপরাধ। এক্ষেত্রে এক বছরের জেল জরিমানার বিধান রয়েছে।

অভিযানকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে আশ্বস্ত করে স্থানীয়রা বলেন, এ এলাকায় আর ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি করতে দেওয়া হবে না। তারা জানান, বেশ কিছুদিন ধরে মহানগরীর হায়দরাবাদ এলাকায় দুবাই ফেরত আ ন ম নুরুল্লাহ মামুন তার বন্ধু শফিকুল ইসলামকে নিয়ে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি প্রচলন শুরু করেন। ঘোড়ার মাংসের চাহিদা দিন দিন বাড়তে থাকায় আড়াইশ টাকা কেজির মাংস তিন থেকে সাড়ে তিনশ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছিল। ঘোড়ার মাংস বিক্রির বিষয়টি বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রচারিত হলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হলে মঙ্গলবার ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি না করতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িকে সতর্ক করে দেয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর