রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী বাতিলের দাবি জানিয়েছে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬ এ মাভাবিপ্রবির ৬ উদ্ভাবনী প্রকল্প ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে ওমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ রায়পুরায় ৩টি হত্যাসহ ১০ মামলার আসামি হান্নান ও সন্ত্রাসী নুরুল ইসলাম গ্রেপ্তার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ বসালেই মিলবে নতুন সুবিধার ঘোষণা সরকারের টঙ্গী বিসিকে বিএসটিআইয়ের অভিযান : ৪ লাখ টাকা জরিমানা প্রাথমিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই- এটিএম কামরুল ইসলাম কালীগঞ্জে গ্রাম পুলিশদের সাপ্তাহিক হাজিরা ও বিশেষ সম্মাননা প্রদান সাইকেলে ছয় দেশ পাড়ি দিয়ে হজ পালনের উদ্দেশ্যে নরসিংদীর সজিবের যাত্রা

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী বাতিলের দাবি জানিয়েছে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার : সম্পত্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত আইনের সাম্প্রতিক সংশোধনী বাতিলের দাবি জানিয়েছে দেশের শীর্ষ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। সংশোধিত আইনে হেবা বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের পরও দাতার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তির ভোগ, দখল ও ব্যবহারের অধিকার সংরক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। আল-হাইআতুল উলয়ার স্থায়ী কমিটির অভিমত, এ বিধান ইসলামি শরিয়াহর হেবা সংক্রান্ত নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

সভায় জানানো হয়, সংশোধিত বিধান অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তি হেবা বা দান করার পরও দাতার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তির ভোগ, ব্যবহার ও দখলের অধিকার সংরক্ষণ করা যাবে। পিতা-মাতা ও সন্তান, দাদা-দাদি ও নাতি-নাতনি এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে। তবে দাতার ভোগদখলের অধিকার নিবন্ধিত দলিলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।

স্থায়ী কমিটির সভায় বলা হয়, ইসলামি শরিয়ায় হেবা একটি স্বতন্ত্র সম্পত্তি হস্তান্তর পদ্ধতি। হেবা সম্পন্ন হওয়ার পর এর মালিকানা, দখল ও সংশ্লিষ্ট অধিকার শরিয়াহর নির্ধারিত বিধান অনুযায়ী কার্যকর হয়। অন্যদিকে, মিরাস কার্যকর হয় ব্যক্তির মৃত্যুর পর এবং তার সম্পত্তি শরিয়াহ নির্ধারিত উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টিত হয়।

কমিটির অভিমত, হেবা ও মিরাসের বিধান এক নয়। তাই এ দুটি ব্যবস্থার মধ্যে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি করে এমন কোনো আইনগত কাঠামো গ্রহণ করা উচিত নয়।

সভায় আলেম-উলামা ও ইসলামি আইনজ্ঞদের উত্থাপিত শরঈ আপত্তিগুলোও পর্যালোচনা করা হয়। পরে স্থায়ী কমিটি সংশোধিত বিধানকে শরিয়াহবিরোধী আখ্যা দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আইনটি পুনর্বিবেচনা ও বাতিলের দাবি জানায়।

একই সঙ্গে মুসলমানদের হেবা, উত্তরাধিকার ও পারিবারিক সম্পত্তি সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে দেশের আলেম-উলামা ও ইসলামি আইন বিশেষজ্ঞদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

আল-হাইআতুল উলয়া আশা প্রকাশ করে, সরকার সংশোধিত আইনের শরঈ ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এবং মুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় বিধান পালনের অধিকার ও পারিবারিক সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় শরিয়াহর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আইনগত কাঠামো নিশ্চিত করবে।

সভায় আল-হাইআতুল উলয়ার কো-চেয়ারম্যান আল্লামা শেখ সাজিদুর রহমানসহ স্থায়ী কমিটির অন্তর্ভুক্ত শীর্ষস্থানীয় আলেম ও মুফতিদের একটি বড় অংশ উপস্থিত ছিলেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর