বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ছাদে সৌরবিদ্যুৎ বসালেই মিলবে নতুন সুবিধার ঘোষণা সরকারের টঙ্গী বিসিকে বিএসটিআইয়ের অভিযান : ৪ লাখ টাকা জরিমানা প্রাথমিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই- এটিএম কামরুল ইসলাম কালীগঞ্জে গ্রাম পুলিশদের সাপ্তাহিক হাজিরা ও বিশেষ সম্মাননা প্রদান সাইকেলে ছয় দেশ পাড়ি দিয়ে হজ পালনের উদ্দেশ্যে নরসিংদীর সজিবের যাত্রা লং মার্চ না করে সংসদে এলে সারাদিন আলোচনা করা যেত: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ১০০-১৫০ টাকায় লাঞ্চ করেন, যারা প্রশংসা করেন তারা অনুসরণ করেন না কেন : জামায়াত আমীর বিরোধীদলের তীব্র আপত্তির মুখে সংসদে সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল পাস ছয় দফা না মানলে সরকার পতনে এক দফার আন্দোলন : ১১ দলীয় জোট সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী : জামায়াত এমপি

ছাদে সৌরবিদ্যুৎ বসালেই মিলবে নতুন সুবিধার ঘোষণা সরকারের

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার : আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এর মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট এবং ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সময়ের মধ্যে বায়ু, বর্জ্য, জলবিদ্যুৎ, ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ ও অ্যাগ্রিভোল্টাইকসহ অন্যান্য প্রযুক্তি থেকে আরও ৪৫০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এসব তথ্য জানান। সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের ৭১ বিবির মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিশিল্পায়নের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ২৪ হাজার থেকে ২৫ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে।চাহিদা বিবেচনায় আমদানি করা জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সরকার ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ প্রণয়ন করেছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৌশলপত্র অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে অন্তত ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

বাংলাদেশের বাস্তবতা ও সম্ভাবনা বিবেচনায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট এবং ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর বাইরে বায়ু, বর্জ্য, জলবিদ্যুৎ, ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ ও অ্যাগ্রিভোল্টাইকসহ অন্যান্য প্রযুক্তি থেকে ৪৫০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। অ্যাগ্রিভোল্টাইক হচ্ছে একই জমিতে কৃষিকাজের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা।

সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের খরচ কমাতে প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় কাঠামো আমদানিতে কর সুবিধা দেওয়ার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এসব সরঞ্জামের ক্ষেত্রে এক শতাংশ করের সুবিধা রাখা হয়েছে। এর পাশাপাশি বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য ছয় মাসের বিশেষ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

প্রজ্ঞাপন জারির পর ১৮০ দিন পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানিতে এক শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর থেকে পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ছোট ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুতের সরঞ্জাম তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

ছোট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগও রাখা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারীরা নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিলে সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে তা কিনবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর