বিশেষ প্রতিনিধি: মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য এ উপলব্ধি ও গভীরতা অনেকের মাঝেই নেই, আর নেই বলেই মানব সেবার মহৎ কাজের মধ্যে তেমন আগ্রহ দেখা যায় না। মানব সেবার নামে আত্ম সেবার প্রবণতাটাই চোখে পড়ে বেশি। মানবসেবা থেকেই সমাজ সেবার প্রশ্নটি এসে যায়। এদেশে এখনো এমন অনেক ব্যক্তি রয়েছে যারা আসলেই মানব সেবায় যথেষ্ট আন্তরিক। আল্লাহর সৃষ্টি মানুষের সেবাকেই তারা পরম ধর্ম বলে বিশ্বাস করে। শুধু অর্থবিত্ত থাকলেই সমাজসেবা করা যায় না বা সমাজ সেবক হওয়া যায় না, আবার অর্থবিত্ত না থাকলেও সমাজসেবকের পরিচিতি লাভ করা যায় না। এটা নির্ভর করে মন মানসিকতার উপর। তার কাজের ধরনের উপর। সেবার ধরনই প্রমাণ মিলে সমাজ সবায় কে কতটা আন্তরিক।
এমনি বহু গুনের অধিকারী, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সমাজ সেবক লোক এখনো আছে যাদের মাঝে মানুষ মানুষের জন্য জন্য, জীবন জীবনের জন্য, এই উপলব্ধি যথেষ্ট গভীরতা রয়েছে। সাধ্য না থাকলেও মানব সেবায় তাগিদ রয়েছে তাদের ভেতরে। এই তাগিদ বোধ থেকে জড়িয়ে যান তারা সমাজ সেবার কাজে। এমনই একজন সমাজ সেবক, রাজনীতিবিদ, বহুগুনের অধিকারী আমরা পেয়েছি যিনি স্পষ্টবাদী, আর অফুরন্ত প্রাণ শক্তির অধিকারী, সৎগুণাবলী মানুষ ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ, দলমত নির্বিশেষে সর্বসাধারণের অত্যন্ত আপন জন, গরিব-দুঃখী মেহনতি মানুষসহ আপামর জনসাধারণের বন্ধু, সময়ের শ্রেষ্ঠ সাহসী সন্তান, শিক্ষানুরাগী বিশিষ্ট সমাজসেবক, গাজীপুর সদর উপজেলার, ভাওয়াল গড় ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মরহুম হাজী আব্দুল বারেক, মাতা রাহেলা খাতুনের সুযোগ্য সন্তান আলহাজ্ব মোঃ জয়নাল আবেদীন রিজভী।
যিনি ভবানীপর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও গাজীপুরের কাজী আজিম উদ্দীন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করার পাশাপাশি ছাত্র রাজনীতি করে নিজেকে একজন জনপ্রিয় ছাত্র নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি স্কুল জীবনেই ১৯৮৬ সালে সাবেক বৃহত্তর মির্জাপুর ইউনিয়ন ছাত্র দলের ২ নং ওয়ার্ড সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৭ সালে বৃহত্তর মির্জাপুর ইউনিয়ন শাখার ছাত্র দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮৮ সালে কাজী আজিম উদ্দীন কলেজর যুগ্ম আহবায়ক এর দায়িত্ব পালন করার সময় ১৯৯০ সালে কাজী আজিম উদ্দীন কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সমাজ কল্যাণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে নিজেকে একজন স্বীকৃত সমাজ সেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন। ১৯৯৩ সালে বৃহত্তর গাজীপুর সদর উপজেলা ছাত্র দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ সালে গাজীপুর জেলা ছাত্র দলের প্রচার সম্পাদক ও ১৯৯৯ সালে গাজীপুর জেলা ছাত্র দলের সহ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ২০১০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপি যুব বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালে ভাওয়াল গড় ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও ২০২২ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৩ ও ২০২৫ সালে গাজীপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি সদস্য নির্বাচিত হন।
আগামী ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেনঃ আমি ছাত্র জীবন থেকেই ছাত্র সংগঠন, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত থাকার কারণে নিজ এলাকা সহ গাজীপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শীত বস্ত্র বিতরন, ঈদ সামগ্রী বিতরণ, এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনগনের পাশে দাঁড়ানো সহ সমাজের নির্যাতিত নিপিড়ীত মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করে আসছি।
জনগনের প্রত্যাশা পূরণে আপনার প্রতিশ্রুতি কি এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এলাকাবাসী নানাবিধ সমস্যা সমাধানে যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং আগামী দিনগুলোতেও করবো ইনশাআল্লাহ। জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, এলাকার নানাবিধ সমস্যা সমাধানে সমাজপতিদের নিয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে বিশেষ করে মাদক, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই সহ সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধে উদ্দ্যোগ গ্রহণ করা হবে ইনশাআল্লাহ । তিনি আরোও বলেন ভাওয়াল গড় ইউনিয়নের মানুষের একটি বড় সমস্যা হলো এখানে ইউনিয়ন ভূমি অফিস না থাকার কারনে ভূমি সেবা থেকে জনগণ বঞ্চিত। ভূমির সেবা পেতে হলে মির্জাপুরে যেতে হয়।
জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে আমি ভাওয়াল গড়ে ভূমি অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব অফিস করে সাধারণ জনগনের নাগরিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিব ইনশাল্লাহ।