বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালীগঞ্জ আড়াইশ বছরের পুরনো মাছের (জামাাই) মেলাকে নিয়ে আনন্দ-উৎসব গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের রহস্যজনক অসুস্থতা এক্সপার্ট ভিলেজ লিমিটেডের দুই কারখানার শতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে গাকৃবিতে হাল্ট প্রাইজের গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের জন্য যে সুখবর দিলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত আগামী নির্বাচনই ঠিক করে দেবে বাংলাদেশ কোন দিকে যাবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের পথে যেতে চাইলে ইরান প্রস্তুত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি গাজীপুর-৩ আসনে আপিলের মাধ্যমে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন ইজাদুর রহমান মিলন কালীগঞ্জে বিএনপি নেতা স্বপনের মৃত্যুতে ফজলুল হক মিলনের শোক তিন কারণে ভারতে বিশ্বকাপ খেলা হবে না বাংলাদেশের: ক্রীড়া উপদেষ্টা ডিবি তদন্তেও দমে নেই সোহরাব বাহিনী: নাটোরে পঙ্গু শ্রমিকের জমি দখল করে সেই টাকায় মামলা লড়ছে ভূমিদস্যুরা

জম্মু-কাশ্মীরে থানায় বিস্ফোরণ: নিহত ৯

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৮১ ভিজিটর
জম্মু-কাশ্মীরে থানায় বিস্ফোরণ/ছবি: এনডিটিভি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরের নওগাম থানার ভেতরে একটি বড় ধরনের বিস্ফোরণে এখন পর্যন্ত ৯ জন নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাতে সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই পুলিশ এবং ফরেন্সিক দলের সদস্য। খবর এনডিটিভি, আনন্দবাজার পত্রিকা।

রাত ১১টা ২০ মিনিটের সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে থানার ভেতরে বিশাল আগুন ছড়িয়ে পড়ে। থানার চত্বরে রাখা বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরে যায় এবং আশপাশের বড় এলাকাজুড়ে কম্পন অনুভূত হয়।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের সময় জে-কে পুলিশ ও ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির একটি যৌথ দল সম্প্রতি ফরিদাবাদ (হরিয়ানা) থেকে উদ্ধার হওয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটসহ বিভিন্ন বিস্ফোরক পরীক্ষা করছিল।

কিছু দিন আগেই হরিয়ানার ফরিদাবাদ এবং উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক পদার্থ বাজেয়াপ্ত করেছিল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। এসব অভিযান থেকে মোট ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছিল। এতে ছিল বোমা তৈরির সরঞ্জাম এবং অস্ত্রশস্ত্র। শুধু ফরিদাবাদ থেকেই পুলিশ উদ্ধার করে ৩৬০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। পরীক্ষার জন্য তা কাশ্মীরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। রাখা হয়েছিল নওগাম থানায়। সেখানেই বিস্ফোরণ ঘটেছে।

বাজেয়াপ্ত করা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট পরীক্ষা করে দেখতে নওগাম থানায় বেশ কয়েক জন ফরেন্সিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। ঠিক কী কারণে কী ভাবে বিস্ফোরণ ঘটল, গাফিলতি কার, এখনো তা স্পষ্ট নয়। তবে এই বিস্ফোরক পদার্থগুলোই দিল্লির লালকেল্লার সামনের বিস্ফোরণে ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের একাংশের অনুমান। যে গাড়িটি দিল্লির বিস্ফোরণে ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটি ফরিদাবাদ থেকেই এসেছিল।

দিল্লির বিস্ফোরণের সঙ্গে যে জঙ্গি যোগসূত্র পাওয়া গেছে নওগাম থানার পুলিশই তা প্রথম খুঁজে বের করেছিল। এর আগে ১৯ অক্টোবর নওগাম এলাকায় জইশ-ই-মোহাম্মদ সমর্থনকারী পোস্টার দেখা গেলে সাত জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্ত এগিয়ে নিতে গত ১ নভেম্বর ড. আদিল আহমদ রাথার এবং পরে আরও এক চিকিৎসক ড. মুজামিল আহমদ গণাই ওরফে মুসাইবকে গ্রেফতার করা হয়। আদিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ফরিদাবাদে মজুত বিস্ফোরকের সন্ধান পান তদন্তকারীরা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর