বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাভাবিপ্রবির ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে স্ত্রী হত্যার ঘটনায় স্বামী গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গাজীপুর সিটিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেন্ডার নিয়ে বিতর্ক: তদন্ত ও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ভাওয়াল গড় ইউনিয়নের মানুষের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য : আলহাজ্ব মোঃ জয়নাল আবেদীন রিজভী গাজীপুরে তিতাস গ্যাসের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা : ১ বছর কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় গাজীপুর নগরী, এক যুগেও মিলেনি জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান স্টার্টআপের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী কালীগঞ্জে নগর মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্পের পরামর্শকরণ সভা অনুষ্ঠিত ফটিকছড়িতে গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামাল নামে কাঠুরিয়ার মৃত্যু গাজীপুরে লাইসেন্স ও সনদ ছাড়াই ফিড বিক্রির অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা

হামাসের সতর্কবার্তা: জিম্মিদের পরিণতি নিখোঁজ সেই পাইলটের মতো হবে

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮ ভিজিটর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেড সতর্ক করে জানিয়েছে, ইসরাইলের গাজায় হামলা অব্যাহত থাকলে জিম্মিদের পরিণতি ১৯৮৬ সালে নিখোঁজ ইসরাইলি পাইলট রন আরাদের মতো হতে পারে। শনিবার গাজার অবশিষ্ট বেশিরভাগ জিম্মির “বিদায়” ছবি প্রকাশ করে হামাস, এবং জানায় যে গাজা সিটিতে ইসরাইলের আক্রমণ তাদের বিপদে ফেলতে পারে।

রোববার মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গণমাধ্যম আরব নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ছবিগুলির মাধ্যমে হামাস ১৯৮৬ সালে লেবাননে গুলি করে ভূপাতিত হওয়া এবং পরে নিখোঁজ হওয়া ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর নেভিগেটর রন আরাদের ঘটনা তুলে ধরে। আরাদকে প্রথমে লেবাননের শিয়া গোষ্ঠীগুলি ধরে রেখেছিল, এবং বর্তমানে তাকে মৃত বলে ধরে নেওয়া হয়, তবে তার দেহাবশেষ কখনও ফেরত দেওয়া হয়নি।

২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরাইলের উপর হামলার পর ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা ২৫১ জনকে আটক করেছিল, যার মধ্যে ৪৭ জন গাজায় রয়ে গেছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের মধ্যে ২৫ জন মারা গেছেন। হামাস তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে ৪৬টি ছবি প্রকাশ করেছে, যার মধ্যে রন আরাদের ছবি উল্লেখযোগ্য।

এদিকে ইসরাইল গাজা সিটিতে স্থল আক্রমণ শুরু করেছে, এবং যেখানে ভারী বিমান হামলা চালাচ্ছে। লক্ষ লক্ষ বাসিন্দা গাজা সিটি ছেড়ে চলে গেছে, তবে জিম্মিদের পরিবার সরকারকে আক্রমণ বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছে, সতর্ক করে দিয়ে যে এটি তাদের প্রিয়জনদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলবে।

কাসসাম ব্রিগেড হামাসের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে, “নেতানিয়াহুর একগুঁয়েমি কারণে গাজা সিটিতে অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই জিম্মিদের মৃত্যুর সম্ভাবনা বেড়ে গেছে।”

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর