শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মাভাবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলরের অভিনন্দন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ উপলক্ষে টঙ্গীতে দাওয়াতে ইসলামী বাংলাদেশের স্বাগত জুলুস শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর আপনারা যেমন তার যত্ন করেন ঠিক সেইভাবে শিশু চারাটিকেও প্রতিদিন যত্ন করতে হবে- এটিএম কামরুল ইসলাম বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ঘিরে কর্মসূচীর আয়োজন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ২৩ তম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি গাজীপুরে তিতাসের ২০০ অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন , ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আস্থা তৈরি হলেই ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, আগামীকাল শপথ কালীগঞ্জে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ঘিরে কর্মসূচীর আয়োজন

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৮ ভিজিটর

সাদ্দাম উদ্দিন রাজ, নরসিংদী প্রতিনিধি: বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মাত্র ২৯ বছর বয়সে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেন তিনি।

দিবসটি উপলক্ষে রায়পুরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে।

রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা জানান, দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ম্যূরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিলের অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মতিউর রহমান ১৯৪১ সালের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার ১০৯, আগা সাদেক রোডের “মোবারক লজ”-এ জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার রামনগর গ্রামে। যা এখন মতিউরনগর নামে পরিচিত। ৯ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ৬ষ্ঠ। তাঁর বাবা মৌলভী আবদুস সামাদ, মা সৈয়দা মোবারকুন্নেসা খাতুন।

তিনি ১৯৬১ সালে পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৬৩ সালে রিসালপুর পি,এ,এফ কলেজ থেকে পাইলট অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন। কমিশন প্রাপ্ত হবার পর তিনি করাচির মৌরিপুর (বর্তমান মাসরুর) এয়ার বেজ এর ২ নম্বর স্কোয়ার্ডন এ জেনারেল ডিউটি পাইলট হিসাবে নিযুক্ত হন। ১৯৬৭ সালে তিনি ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল ঢাকা আসেন ও ৯ মে সপরিবারে করাচি ফিরে যান ৷ কর্মস্থলে ফিরে গিয়ে জঙ্গি বিমান দখল এবং সেটা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তাকে তখন বিমানের সেফটি অফিসারের দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো। তিনি বিমান দখলের জন্য ২১ বছর বয়সী রাশেদ মিনহাজ নামে একজন শিক্ষানবীশ পাইলটের উড্ডয়নের দিন (২০ই আগস্ট,১৯৭১) টার্গেট করেন।

পাইলট রাশেদ মিনহাজ এবং পাকিস্তানী অপর জঙ্গি বিমানগুলোর বাধার মুখেও বিমান নিয়ে ভারতের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। বিমানটি কম উচ্চতায় উড্ডয়ন করার ফলে একসময় রাশেদ সহ বিমানটি ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাত্র ৩৫ মাইল দূরে থাট্টা এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। মতিউর রহমানের সাথে প্যারাসুট না থাকায় তিনি নিহত হন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর