সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুলে ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী কাপাসিয়ায় জাহিদ নিখোঁজের তিনদিন পর লাশ মিলল নদীতে কালীগঞ্জে শ্বশুরকে কুড়ালের কোপে হত্যা, থানায় এসে আত্মসমর্পণ জামাইয়ের রাজধানীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন, ২৫ টাকা দরে কিনবে সরকার : শাহে আলম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা এবং বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ গাজীপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইয়েদুর রহমানের ইন্তেকাল মহানবীর (সা) আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

না ফেরার দেশে চলে গেলেন অ্যাথলেটিকসের মিমো

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১০২ ভিজিটর

স্পোর্টস রিপোর্টার : বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত মুখ শামীমা সাত্তার মিমো আর নেই। দেশের অ্যাথলেটিকস অঙ্গনের এই নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক, কোচ ও সাবেক অ্যাথলেট শুক্রবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

অ্যাথলেট হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও জীবনের প্রায় প্রতিটি পর্যায়ে ক্রীড়ার বিভিন্ন ভূমিকায় সক্রিয় ছিলেন মিমো। অ্যাথলেট, কোচ, জাজ ও সংগঠক—সব ক্ষেত্রেই তার ছিল সরব উপস্থিতি। বিশেষ করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে অসংখ্য প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদের গড়ে ওঠার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। এ কারণেই দেশের অনেক অ্যাথলেটের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘মিমো ম্যাডাম’ নামে।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভার্টিগো ও হৃদ্‌রোগসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। কয়েক মাস আগে তার চলাফেরা ও মানুষ চিনতে সমস্যাও দেখা দিয়েছিল। তবে কিছুটা সুস্থ হয়ে আবারও ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এর মধ্যেই আকস্মিক এই মৃত্যু সবাইকে শোকাহত করে তুলেছে।

মিমোর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী, ঢাকার বাসভবন থেকে তার মরদেহ নেওয়া হচ্ছে দিনাজপুরে। সেখানেই বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে জাতীয় অ্যাথলেটিকসে হাইজাম্পে দীর্ঘদিন আধিপত্য ছিল তার। স্প্রিন্ট ইভেন্টেও জিতেছেন পদক। জাতীয় অ্যাথলেটিকসে তার অর্জনের তালিকা বেশ সমৃদ্ধ। ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ২০০০ সালে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার লাভ করেন।

কোচ হিসেবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে কর্মজীবন শুরু করার পর তিনি বিকেএসপিতে যোগ দেন। দিনাজপুর বিকেএসপি গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তার অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। চাকরি জীবনের পরেও তিনি অ্যাথলেটিকস ও আর্চারি ফেডারেশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন অ্যাথলেটিকসে জাজ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

জীবনের পুরোটা সময়ই তিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কাজ করেছেন। তার এই আকস্মিক প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছে অ্যাথলেটিকস, আর্চারি ও বিকেএসপিসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন ও ক্রীড়াবিদেরা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর