মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে তিন ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড টঙ্গীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মাদকের হটস্পট হাজির মাজার বস্তি শিক্ষা সংকট কাটিয়ে ওঠার আহ্বান ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ: কাপাসিয়ায় এমপি সালাহউদ্দিন আইউবীর ব্যস্ত দিন বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও ঝরে পড়া রোধে ওয়ার্ল্ড ভিশনের অর্জন উদ্‌যাপন সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুলে ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী কাপাসিয়ায় জাহিদ নিখোঁজের তিনদিন পর লাশ মিলল নদীতে কালীগঞ্জে শ্বশুরকে কুড়ালের কোপে হত্যা, থানায় এসে আত্মসমর্পণ জামাইয়ের

নির্বাচনে আকাশ থেকে ভোট পর্যবেক্ষণ করবে ১০০০ ড্রোন

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৮ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন সংসদ নির্বাচনে আকাশ থেকে ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে সারা দেশের ভোটকেন্দ্রে উড়ানো হবে এক হাজার ড্রোন। নির্বাচনি সহিংসতা রোধ এবং দুর্গম জনপদে কড়া নজরদারি নিশ্চিত করতে এমন নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প, পার্বত্য অঞ্চল এবং সীমান্তবর্তী টেকনাফ থেকে ফেনী পর্যন্ত এই বিশেষ নজরদারি করা হবে।

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ আমার দেশকে বলেন, বিমান বাহিনীর কারিগরি সহায়তায় এই ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। তিনি বলেন, এই ড্রোনগুলো ‘স্যাটেলাইট’ বা উপগ্রহের মতো কাজ করবে। যা সরাসরি প্রধান নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে স্থাপিত কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেলে রিয়েল-টাইম তথ্য ও ভিডিও পাঠাবে।

ইসির সূত্রগুলো জানিয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে কেবল প্রযুক্তি নয়, মাঠে সক্রিয় থাকবে ডিজিএফআই, এনএসআই, র‌্যাব ও বিজিবিসহ মোট ২১টি আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থা। ড্রোনের মাধ্যমে কোনো ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা, অস্ত্র প্রদর্শন বা গোপন তৎপরতা নজরে এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে এই বাহিনীগুলো। পুরো প্রক্রিয়াটি সমন্বিতভাবে পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হবে বিশেষায়িত ‘ই-মনিটরিং’ অ্যাপ।

ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছেন, দুর্গম পাহাড় ও চরাঞ্চলে প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হবে। অনুরূপভাবে, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বা নাশকতার চেষ্টা চললে ড্রোনের মাধ্যমে শনাক্ত করে সরাসরি অ্যাকশনে

যাবে বাহিনী। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কক্সবাজার ও টেকনাফ অঞ্চলে রোহিঙ্গা ভোটার বা বহিরাগতদের প্রভাব বিস্তার ঠেকাতে বিশেষ স্কোয়াড কাজ করবে। ড্রোন থেকে প্রাপ্ত ভিডিও এবং তথ্য ইসির আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে।

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল আরো বলেন, আমরা নির্বাচনের মাঠ পুরোপুরি স্বচ্ছ রাখতে চাই। পাহাড় কিংবা সীমান্তÑকোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে আমাদের ড্রোন তা সেকেন্ডের মধ্যে ইসির নজরে আনবে এবং তৎক্ষণাৎ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এক হাজার ড্রোনের এই ব্যবহার বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাসে একটি বড় ধরনের প্রযুক্তিগত মাইলফলক। এটি সাধারণ ভোটারদের মনে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করবে এবং আস্থার পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর