মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে তিন ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড টঙ্গীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মাদকের হটস্পট হাজির মাজার বস্তি শিক্ষা সংকট কাটিয়ে ওঠার আহ্বান ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ: কাপাসিয়ায় এমপি সালাহউদ্দিন আইউবীর ব্যস্ত দিন বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও ঝরে পড়া রোধে ওয়ার্ল্ড ভিশনের অর্জন উদ্‌যাপন সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুলে ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী কাপাসিয়ায় জাহিদ নিখোঁজের তিনদিন পর লাশ মিলল নদীতে কালীগঞ্জে শ্বশুরকে কুড়ালের কোপে হত্যা, থানায় এসে আত্মসমর্পণ জামাইয়ের

ডাকসুর চাপে জুলাই গণহত্যায় সমর্থনকারী ঢাবির ডেপুটি রেজিস্ট্রার রুহুল আমিনকে ওএসডি

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১১৬ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার:  অবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. জাহাঙ্গীর আলমের অফিসে কর্মরত ডেপুটি রেজিস্ট্রার রুহুল আমিনকে ওএসডি করা হয়েছে।

রোববার (২৬ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা গেছে। ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ এক বিবৃতিতে জানান, রুহুল আমিন ৩ আগস্ট ২০২৪ সালে ‘জুলাই গণহত্যা’র সমর্থনে তথাকথিত খুনি হাসিনার পক্ষে মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সেই ঘটনায় জড়িত থাকায় তাকে ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তার বিচার দাবি করে আসছিলেন ডাকসুর নেতৃবৃন্দ।

বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, ট্রেজারার ড. জাহাঙ্গীর আলম রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানার পরও কোনো ব্যবস্থা নেননি। বরং ‘তার বিকল্প নেই’ বলে মন্তব্য করে দীর্ঘ দেড় বছর ধরে তাকে নিজের অফিসে আশ্রয় দিয়ে রেখেছিলেন।

ডাকসুর পক্ষ থেকে বলা হয়, গত এক বছরে রুহুল আমিনসহ ফ্যাসিবাদপন্থিদের বিচারের দাবিতে বহুবার লিখিত ও মৌখিকভাবে আবেদন জানানো হয়। এমনকি ডাকসু গঠনের পরও ছয় থেকে সাতবার প্রশাসনের কাছে দাবি জানানো হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

অবশেষে আজ (রোববার) রেজিস্ট্রার ভবন ঘেরাও কর্মসূচির পর প্রশাসন তাকে ওএসডি করতে বাধ্য হয়।

ডাকসুর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, শুধু রুহুল আমিনকেই নয়- যারা জুলাই গণহত্যাসহ অতীতের সব ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডের বৈধতা দিয়েছেন, সেই শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্রদেরও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। রুহুল আমিনকে ওএসডি করাই যথেষ্ট নয়, দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর