মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে তিন ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড টঙ্গীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মাদকের হটস্পট হাজির মাজার বস্তি শিক্ষা সংকট কাটিয়ে ওঠার আহ্বান ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ: কাপাসিয়ায় এমপি সালাহউদ্দিন আইউবীর ব্যস্ত দিন বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও ঝরে পড়া রোধে ওয়ার্ল্ড ভিশনের অর্জন উদ্‌যাপন সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুলে ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী কাপাসিয়ায় জাহিদ নিখোঁজের তিনদিন পর লাশ মিলল নদীতে কালীগঞ্জে শ্বশুরকে কুড়ালের কোপে হত্যা, থানায় এসে আত্মসমর্পণ জামাইয়ের

নভেম্বরে গণভোট চেয়ে ইসির কাছে জামায়াতের প্রস্তাব

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১২৯ ভিজিটর
জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ মো. আব্দুল্লাহ তাহের। ছবি: সংগৃহীত।

স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় সংসদের আগে অর্থাৎ নভেম্বর মাসে গণভোট চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ বিষয়ে দলটি নির্বাচন কমিশনে একটি লিখিত প্রস্তাবও দিয়েছে।

এর আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দল।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টার পর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ বৈঠক শুরু হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ মো. আব্দুল্লাহ তাহেরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার, মতিউর রহমান আকন্দ বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠক শেষে আব্দুল্লাহ তাহের বলেন, আমরা বলেছি গণভোট আলাদা হতে হবে। কারণ দুইটা বিষয়। একটা হচ্ছে, আমাদের কতগুলো রিফর্মস আছে। এটা ইলেকশন যখন হোক ইলেকশন যেভাবে হোক তার বাইরে এটা জাতির জন্য একটা স্থায়ী একটা রিফর্মসের বিষয়। তো যেহেতু এটা একটা আলাদা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটাকে আলাদা গণভোটের মাধ্যমেই এটার ওপর মত গ্রহণ করা উচিত। এটা আমরা জোর করেই বলেছি। এক্ষেত্রে যে প্রস্তুতি দরকার আমরা রিকোয়েস্ট করেছি যদি ন্যাশনালি সিদ্ধান্তটি হয় যেটা আলাদাভাবে হবে যেটা আমরা চাচ্ছি। জামায়াত নভেম্বরে গণভোট চায়। আমরা অনেকগুলো দল চাচ্ছি যেটি ইন্ডিপেন্ডেন্টলি হোক কারণ হচ্ছে একসঙ্গে যদি হয় কয়েকটি সমস্যা হতে পারে। প্রথম সমস্যা হচ্ছে যে প্রত্যেকটি দল তখন তার জাতীয় নির্বাচনের প্রতীকে বিজয়ের জন্যই ভেরি সিরিয়াস থাকবে এবং রিফর্মস আছে। সবার মাথা কাজ করবে দুই ইলেকশন যদি কোনো জায়গায় দখল হয়ে যায় তাহলে রিফর্মসের বেলা দখল হয়ে যাবে একটার সঙ্গে আরেকটার ভাগ্য অন্যভাবে জড়িত হয়ে যাবে। কোনো কারণে ইলেকশন যদি কোনো জায়গায় স্থগিত হয়ে যায় তাহলে এটা স্থগিত হয়ে যাবে মানে কোনো রেজাল্ট আসবে না। কিন্তু দুটি একেবারে ভিন্ন ন্যাচার একটা হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন জনপ্রতিনিধি করার জন্য আর এজন্য সবার জন্যই একটা রিফর্ম জরুরি।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু ন্যাচার ভিন্ন আমরা স্পষ্ট সরকারকে বলেছি, কমিশনকে বলেছি। ইলেকশন কমিশন আজ আমরা বলে আসছি যে এটা আলাদা করার জন্য।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর