বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৪৭তম বিসিএস-এর ভাইভা প্রক্রিয়া শুরু, অনলাইনে তথ্য জমা বাধ্যতামূলক আমিরাতের দুটি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬ শুরু উৎসবমুখর পরিবেশে সুশৃঙ্খলভাবে কালিগঞ্জে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিন সম্পন্ন ১৪৭৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ১৩ জন কালীগঞ্জ পৌরসভা থেকে ৬০ জনকে বিনামূল্যে কম্পিউটার ও ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন মাভাবিপ্রবিতে BAC অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ফটিকছড়িতে ১১ ভেন্যুর ১২ কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হেফাজত আমিরের সঙ্গে এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদের সৌজন্য সাক্ষাৎ গাকৃবিতে আন্তর্জাতিক সিএবিআই কোর্স অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিএসইসি চেয়ারম্যানের সাথে উত্তরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের ব্যাবসায়িক বৈঠক অনুষ্ঠিত  বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম

সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে হবে: আখতার হোসেন

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৮ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে কথা বলেছেন, সেটি ইতিবাচকভাবে দেখেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। তবে নির্বাচন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, ‌‘নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে যেটি বলা হয়েছে সেটি আমরা ইতিবাচকভাবে দেখি। সংস্কার ও বিচার কার্যক্রম যেগুলো আছে সেগুলো যদি পরিপূর্ণভাবে সমাপ্ত করা হয়, তাহলে আরও গোছালোভাবে নির্বাচনের দিকে যাওয়া সম্ভব হবে।’

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের বিষয়ে আশাবাদী কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি বাংলাদেশে একটা নির্বাচন হতে হবে। সেই নির্বাচন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। সেই নির্বাচনের সময়সীমা ফেব্রুয়ারিতে বলা হয়েছে। এর আগেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা সম্ভব। এরআগেই মাঠ প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করা সম্ভব। এরআগেই আইশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।’

আখতার হোসেন বলেন, ‘সংস্কারের এজেন্ডাগুলো নিয়ে আলেচনা চলছে। এটিকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার একটা পথ আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে তৈরি করতে পারি।

 

প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের সঠিক তারিখ বলতে পারেন না জানিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘এটার আইনগত বাধানিষেধ আছে। এটা নির্বাচন কমিশনই বলতে পারে। তিনি ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধের যে কথা বলেছেন, সেটা তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বলে আসছেন। আমরা মনে করি, এই নির্বাচনের যে অঙ্গীকার, তার সঙ্গে সংস্কার এবং বিচারকে একীভূত করে তারপরই যেন সরকার এই সিদ্ধান্তের দিকে অগ্রসর হয়। সে বিষয়টিকে প্রধান করে দেখার পক্ষপাতি।’

 

উচ্চকক্ষে পিআর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এনসিপি শুরু থেকেই উচ্চকক্ষে পিআর চায়। আমরা নিম্নকক্ষে পিআরের পক্ষপাতিত্ব নই। সংবিধানের ক্ষেত্রে যাতে একদলীয় পরিবর্তন সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের একটা ভূমিকা থাকবে। সে হিসেবে উচ্চকক্ষে যেন পিআর পদ্ধতিতে প্রতিনিধি নির্বাচন হতে পারে, সে দাবি আমরা সরকারের কাছে করেছি।’

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর