বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাভাবিপ্রবির ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে স্ত্রী হত্যার ঘটনায় স্বামী গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গাজীপুর সিটিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেন্ডার নিয়ে বিতর্ক: তদন্ত ও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ভাওয়াল গড় ইউনিয়নের মানুষের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য : আলহাজ্ব মোঃ জয়নাল আবেদীন রিজভী গাজীপুরে তিতাস গ্যাসের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা : ১ বছর কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় গাজীপুর নগরী, এক যুগেও মিলেনি জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান স্টার্টআপের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী কালীগঞ্জে নগর মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্পের পরামর্শকরণ সভা অনুষ্ঠিত ফটিকছড়িতে গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামাল নামে কাঠুরিয়ার মৃত্যু গাজীপুরে লাইসেন্স ও সনদ ছাড়াই ফিড বিক্রির অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা

গাজীপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রেতাকে সতর্ক করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫
  • ৬৩ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি না করতে মাংস বিক্রেতা শফিকুল ইসলামকে সতর্ক করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার মহানগরীর হায়দরাবাদ এলাকায় অভিযানকালে ওই মাংস বিক্রেতাকে সতর্ক করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জালাল উদ্দিন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জালাল উদ্দিন জানান, দেশে ঘোড়া জবাই ও ঘোড়ার মাংস বিক্রি অপ্রচলিত। তাই বিভিন্ন মহল থেকে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রিতে আপত্তি উঠায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় মাংস বিক্রেতা শফিকুল ইসলামকে ডেকে এনে ঘোড়া জবাই ও ঘোড়ার মাংস বিক্রি করতে নিষেধ করা হয়। অন্যথায় বুধবার (১৯ মার্চ) থেকে ২০১১ সালের পশু জবাই আইনে গ্রেফতার ও জেল জরিমানার কথা জানিয়ে তাকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকালে উপস্থিত গাজীপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহীন মিয়া জানান, ২০১১ সালের পশু জবাই ও মান নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ব্যাতীত এবং লাইসেন্স ছাড়া পশু জবাই ও মাংস বিক্রি দন্ডনীয় অপরাধ। এক্ষেত্রে এক বছরের জেল জরিমানার বিধান রয়েছে।

অভিযানকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে আশ্বস্ত করে স্থানীয়রা বলেন, এ এলাকায় আর ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি করতে দেওয়া হবে না। তারা জানান, বেশ কিছুদিন ধরে মহানগরীর হায়দরাবাদ এলাকায় দুবাই ফেরত আ ন ম নুরুল্লাহ মামুন তার বন্ধু শফিকুল ইসলামকে নিয়ে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি প্রচলন শুরু করেন। ঘোড়ার মাংসের চাহিদা দিন দিন বাড়তে থাকায় আড়াইশ টাকা কেজির মাংস তিন থেকে সাড়ে তিনশ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছিল। ঘোড়ার মাংস বিক্রির বিষয়টি বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রচারিত হলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হলে মঙ্গলবার ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি না করতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িকে সতর্ক করে দেয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর