বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এআই যেন নতুন বৈষম্য তৈরি না করে : তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স মাভাবিপ্রবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিং উন্নয়নে কৌশল ও করণীয় নিয়ে সেমিনার জাতীয় নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ-সেবা সহজ করতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির কাপাসিয়ার দিগধা দারুল উলুম ফাযিল মাদরাসার নবনির্মিত একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন আমিরাতের শারজাহতে কলম একাডেমি লন্ডনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী কালীগঞ্জে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান সৌদি আরামকোর তেল স্থাপনায় হুথিদের হামলায় খেলাধুলার মাধ্যমেই মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব: যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী

এআই যেন নতুন বৈষম্য তৈরি না করে : তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৯ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার : বর্তমান ডিজিটাল বিভাজন যেন ভবিষ্যতের এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) বিভাজনে পরিণত না হয়—এটাই বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। সরকারি খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে আস্থা, সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেছেন, এআই যেন নতুন করে কোনো বৈষম্য তৈরি না করে, বরং বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে।

মঙ্গলবার ইস্তাম্বুলে শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী (৬–৭ অক্টোবর) আন্তঃআঞ্চলিক সম্মেলন “AI Governance in Practice: Practical Use Cases, Institutional Capacity, Innovation at Scale and Global Cooperation”-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে ১২টি অংশগ্রহণকারী দেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সম্মেলনটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের সরকার, আস্তানা সিভিল সার্ভিস হাব, ইউএনডিপি এবং তুরস্ক প্রজাতন্ত্র।

সম্মেলনে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, এআই আর কেবল ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নয়; এটি সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নাগরিক সেবা ও উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন আনছে। “মূল প্রশ্নটি কেবল এটি নয় যে আমরা কত দ্রুত এআই গ্রহণ করব; বরং আমরা কতটা প্রজ্ঞার সাথে, দায়িত্বশীলভাবে ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উপায়ে এটি পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করব, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ,” বলেন তিনি।

এআই সুশাসনের জন্য মন্ত্রী তিনটি মৌলিক নীতির কথা উল্লেখ করেন:

১. আস্থা ও বিশ্বাস: সরকারে এআই-এর ব্যবহার হতে হবে দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মানবকেন্দ্রিক।

২. সক্ষমতা বৃদ্ধি: প্রযুক্তির পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ, কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, উপযুক্ত ডেটা গভর্ন্যান্স ও সময়োপযোগী আইনি কাঠামো প্রয়োজন।

৩. আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: কোনো একক দেশের কাছে সব সমাধান নেই; অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতাই টেকসই রূপান্তর নিশ্চিত করতে পারে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে মন্ত্রী বলেন, এআই যেন নতুন বৈষম্য তৈরি না করে, বরং বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। এ সময় তিনি প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সাশ্রয়ী মূল্যে আধুনিক প্রযুক্তির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

আশা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, এই সম্মেলন উদ্ভাবন, বিশ্বাস ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রযুক্তির এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে, যেখানে কোনো দেশই পিছিয়ে থাকবে না। একই সঙ্গে তিনি এই উদ্যোগের প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ, দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে ককেশাস, মধ্য এশিয়া ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউএনডিপি ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর