রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাভাবিপ্রবিতে ‘From Research Idea to Q1 Journal Publication’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত অধিকার আদায় করেই ছাড়ব ইনশাআল্লাহ : জামায়াত আমীর জ্বালানি সংকটে দুর্ভোগের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ কাপাসিয়ায় ৩০০ কৃতি শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা সংখ্যালঘু নয়, নাগরিক পরিচয়েই সবাই সমান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এখনো উদ্ধার হয়নি ২ হাজার ৩৮ নিখোঁজ শিশু বিরোধী দলের তীব্র বিরোধিতার মধ্যেই সংসদে এসআরবি বিল উত্থাপন মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমিকের চাহিদা বাড়বে: মন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সাথে বিজিএমইএ পরিচালনা পর্ষদের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ কালীগঞ্জে দুই সার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

জ্বালানি সংকটে দুর্ভোগের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার : বর্তমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ ও শিল্পকারখানার মালিকদের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে দেশবাসীর কাছে দল ও সরকারের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি এখন জ্বালানি সংকট। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির কষ্টে থাকা মানুষের সমস্যা সমাধানে সরকার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। সভা পরিচালনা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

তারেক রহমান বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় ভঙ্গুর অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ বহু সমস্যা পেয়েছে। এর মধ্যেই একটি যুদ্ধ পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়েছে। এসব সংকটের মধ্যে বর্তমানে জ্বালানি সংকটের চাপও মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকটের চাপ সামাল দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিশ্বে আবার কোনো সংকট তৈরি হলে বাংলাদেশের মানুষ যেন জ্বালানি সংকটে না পড়ে, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে শুধু বর্তমান সংকট মোকাবিলা নয়, ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সংকটের জন্যও দেশকে প্রস্তুত রাখা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপসহ বিশ্বের প্রায় ৬৫টি দেশে জ্বালানির দাম বেড়েছে। সরকার দীর্ঘদিন জ্বালানির দাম না বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব না হওয়ায় কিছুটা দাম বাড়াতে হয়েছে।

তবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ যাতে তৈরি না হয়, সে বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি। তারেক রহমান বলেন, জনগণের ওপর চাপ কমাতে সাম্প্রতিক বাজেটে প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর বাড়ানো হয়নি। বরং কয়েকটি পণ্যের কর কমানো হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সংকটের সময়ে সাধারণ মানুষশিল্পকারখানার মালিকদের যে কষ্ট হচ্ছে, সরকার তা উপলব্ধি করছে। এই দুর্ভোগের জন্য দেশবাসীর কাছে দলসরকারের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে সংকট মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বর্তমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের তাৎক্ষণিক চাপ মোকাবিলার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে সুরক্ষিত রাখার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর