সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কালীগঞ্জের ৮ ইউনিয়নে বিএনপি নেতার উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ ইরানের হামলায় ২০০ মার্কিন সেনা হতাহত : আইআরজিসি কালীগঞ্জে সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কলারোয়ার বিভিন্ন সরকারি দফতর পরিদর্শনে নতুন সাংসদ জামায়াতের ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরায় ৫.৩ ম্যাগনিটিউডে ভূমিকম্প গণভোটের ফলাফল; প্রায় ১১ লাখ ভোট কমিয়ে সংশোধনী গেজেট প্রকাশ ইসির গুণীজনদের হাতে একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী গাকৃবিতে দেশের প্রথম উচ্চ খরা সহনশীল সয়াবিনের জাত ‘জিএইউ সয়াবিন ৬’ উদ্ভাবন : খরা ও চরাঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা গাজীপুরকে দুষণমুক্ত গ্রীণ সিটি হিসেবে গড়ার অঙ্গীকার : জিসিসি প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার

বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে মাছ ধরা নিষিদ্ধে অধ্যাদেশ জারি

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৮ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের মৎস্য সম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ‘মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

এর ফলে এখন থেকে নদী-নালা বা যে কোনো জলাশয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে বা ‘ইলেকট্রোফিশিং ডিভাইস’ ব্যবহার করে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে গতকাল ‘মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করা হয়।

আজ মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গতকাল রাষ্ট্রপতি এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করেন।

এই অধ্যাদেশ মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ নামে অভিহিত হবে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নতুন অধ্যাদেশে ‘জলাশয়’-এর সংজ্ঞা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী, নদী, ঝর্ণা, মোহনা, খাল, বিল, হাওর, বাওড় ও হ্রদের পাশাপাশি প্লাবনভূমি, পুকুর, দিঘি, ঘের এবং ঋতুগতভাবে ডুবে থাকা এলাকা বা জলাভূমিও এই আইনের আওতায় থাকবে।

সংশোধিত আইনের ৩ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, মাছ শিকারের ক্ষেত্রে বিস্ফোরক ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ‘ইলেকট্রোফিশিং ডিভাইস’ বা বিদ্যুৎ প্রবাহিত সরঞ্জাম ব্যবহারের বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ দিয়ে মাছ ধরার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

এছাড়া, জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ‘অন্যান্য কার্যকর এলাকা-ভিত্তিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা’ বা ‘ওএসিম’ ঘোষণার নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। ওএসিম বলতে এমন ভৌগোলিকভাবে সংজ্ঞায়িত এলাকাকে বোঝানো হয়েছে, যা সুরক্ষিত এলাকার বাইরেও জলজ জীববৈচিত্র্যের ইতিবাচক এবং দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল অর্জনে ভূমিকা রাখবে।

অধ্যাদেশে নতুন যুক্ত হওয়া ৪খ ধারায় বলা হয়েছে, সরকার দেশের অভ্যন্তরীণ ও উপকূলীয় জলাশয়ে মৎস্য বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি বা ধ্বংস রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

এছাড়া টেকসই মৎস্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার বিষয়েও সরকার বিশেষ নির্দেশনা জারি করার ক্ষমতা রাখবে।

মৎস্য সম্পদের সুরক্ষা এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখতেই সরকার ১৯৫০ সালের পুরনো আইনটি সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর