বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালীগঞ্জ আড়াইশ বছরের পুরনো মাছের (জামাাই) মেলাকে নিয়ে আনন্দ-উৎসব গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের রহস্যজনক অসুস্থতা এক্সপার্ট ভিলেজ লিমিটেডের দুই কারখানার শতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে গাকৃবিতে হাল্ট প্রাইজের গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের জন্য যে সুখবর দিলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত আগামী নির্বাচনই ঠিক করে দেবে বাংলাদেশ কোন দিকে যাবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের পথে যেতে চাইলে ইরান প্রস্তুত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি গাজীপুর-৩ আসনে আপিলের মাধ্যমে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন ইজাদুর রহমান মিলন কালীগঞ্জে বিএনপি নেতা স্বপনের মৃত্যুতে ফজলুল হক মিলনের শোক তিন কারণে ভারতে বিশ্বকাপ খেলা হবে না বাংলাদেশের: ক্রীড়া উপদেষ্টা ডিবি তদন্তেও দমে নেই সোহরাব বাহিনী: নাটোরে পঙ্গু শ্রমিকের জমি দখল করে সেই টাকায় মামলা লড়ছে ভূমিদস্যুরা

গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের রহস্যজনক অসুস্থতা এক্সপার্ট ভিলেজ লিমিটেডের দুই কারখানার শতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৪ ভিজিটর

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত এক্সপার্ট ভিলেজ লিমিটেডের দুইটি কারখানার শতাধিক শ্রমিক হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পরেছে। এ ঘটনায়এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে একের পর এক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

অসুস্থ শ্রমিকদের মধ্যে মা টাওয়ার ও আলম টাওয়ারে অবস্থিত কারখানার শ্রমিকরাই বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের দ্রুত টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল সহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আক্রান্ত শ্রমিকদের অধিকাংশই বমি, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও অস্বস্তিজনিত উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। জরুরি বিভাগে এক সঙ্গে বিপুল সংখ্যক রোগী আসায় কিছু সময়ের জন্য হাসপাতাল চত্বরে চাপ সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় ও কারখানা সূত্র জানায়, নভেম্বর মাসের বেতন পরিশোধ না হওয়ায় শ্রমিকরা রোববার সারাদিন কর্ম বিরতি ও আন্দোলন করেন। একই দাবিতে সোমবার সকালে কাজে যোগ দিয়েও তারা পুনরায় আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের মধ্যেই হঠাৎ একের পর এক শ্রমিকরা অসুস্থ হয়ে পড়তে শুরু করেন। তবে কী কারণে এই অসুস্থতার ঘটনা ঘটেছে, তাতাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. নাহিদ সুলতানা বলেন, “আক্রান্ত শ্রমিকদের মধ্যে প্যানিক অ্যাটাক, বমি ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে অধিকাংশ শ্রমিক আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।”

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন,“ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কারখানার অ্যাডমিন ম্যানেজার সুজনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।”

ঘটনার পর কারখানা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শ্রমিকদের মধ্যে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত অসুস্থতার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর