রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অগ্রগতি হলেও বড় মতপার্থক্য রয়ে গেছে: গালিবাফ বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল সরকার দেবহাটায় এমআর ক্যাম্পেইন উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ে এ্যাডভোকেসী সভা নাজিরহাটে অকটেন মজুদের সময় অগ্নিকাণ্ড, পেট্রোল পাম্প ম্যানেজারের মৃত্যু ফটিকছড়ির ধিরাম ইউনিয়নে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায় আরও ৬ জেলায় চালু ফুয়েল পাস চালু ১ লাখ ৩৮ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে চার জাহাজ কালীগঞ্জে কভার্ড ভ্যান ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪ কালিগঞ্জে শ্বশুর ও বউয়ের বেধড়ক মারধরে হাসপাতালে শয্যাশায়ী জামাতা এটলাস বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ‘এটলাস ইভি’ এক্সক্লুসিভ শোরুমের উদ্বোধন

মিথেন নিয়ন্ত্রণে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায় বাংলাদেশ: মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ উপদেষ্টা

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫২ ভিজিটর
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার/ছবি: সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, দেশীয় পর্যায়ে কিছু খাতে—বিশেষ করে কৃষি ও প্রাণিসম্পদে মিথেন ও অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ ঘটে। তবে এসব খাতে নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাস করার মতো গবেষণা দেশে রয়েছে। মাঠপর্যায়ে এসব গবেষণালব্ধ পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গণে প্রমাণ করতে পারবে যে, স্বল্প নিঃসরণকারী দেশ হয়েও দায়িত্বশীলভাবে মিথেন নিঃসরণ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা ধনী দেশগুলোর জন্যও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ‘আইওটি বেইজড ৪এফ (4F) মডেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের খরা-প্রবণ ও উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই জলবায়ু সহিষ্ণু প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সেমিনার এবং ‘৪এফ মডেল’ এর রেপ্লিকা উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকার সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, বিএলআরআই জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের সহায়তায় ‘৪এফ মডেল’ ভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঘাস থেকে পশুখাদ্য, খাদ্য, জ্বালানি (বায়োগ্যাস) ও জৈবসার উৎপাদন সম্ভব হবে, যা ক্ষুদ্র কৃষক পর্যায়েই বাস্তবায়নযোগ্য। এতে একদিকে মিথেন নিঃসরণ কমবে, অন্যদিকে কৃষকের জীবনমান উন্নত হবে।

ফরিদা আখতার বলেন, অনেক দেশ বাংলাদেশে স্বল্পমূল্যে মাংস রপ্তানি করতে চায়। তারা আসলে তাদের প্রাণিসম্পদ ইন্ডাস্ট্রির উদ্বৃত্ত মাংস আমাদের দেশে রপ্তানি করতে চায়। বিদেশ থেকে মাংস আমদানির ক্ষেত্রে নানাবিধ ঝুঁকি রয়েছে।

তিনি বলেন, গরুর মাংস আমদানি করলে দেশীয় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিও থাকতে পারে। সাবান-শ্যাম্পুর মতো শিল্পপণ্য হিসেবে উৎপাদিত মাংস নয়, বরং দেশীয় পরিবেশে খাপ খাওয়ানো গবাদিপশুই আমাদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতে মৌলিক ও নীতিগত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। ইতিমধ্যে এ খাতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার সুফল অদূর ভবিষ্যতে পাওয়া যাবে।

বিএলআরআই’র মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) গাজী মো. ওয়ালি-উল-হক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান প্রমুখ। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ খায়রুল বাশার।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর