স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর জোটের প্রার্থী হতে পারেন ইসলামী দলগুলোর ১০নেতা। এসব নেতাকে আসন ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে বিএনপি’র পক্ষ থেকে ইতিবাচক মনোভাব দেখানো হয়েছে। বিএনপি’র তরফে গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার পর থেকেই এসব আসনে ইসলামী দলগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। যদিও এসব আসনে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপি’র নেতারাও প্রচারণা চালাচ্ছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার পর বিষয়টি চূড়ান্ত হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।
বিএনপি ও ইসলামী দলগুলোর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি’র সঙ্গে তাদের একাধিকবার অনানুষ্ঠানিকভাবে বৈঠক হয়েছে। সেখানে এক বাক্সে ভোট করার পাশাপাশি আসন ভাগাভাগির বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আলোচনার ভিত্তিতে এ পর্যন্ত সম্ভাব্য ১০টি আসন ইসলামী দলগুলোকে ছাড়ার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বিএনপি। ইতিমধ্যে ইসলামী দলগুলো এসব আসনে নিজেদের প্রার্থীও দিয়েছে। তারা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।
বিএনপি যেসব আসনে ইসলামী দলগুলোকে ছেড়ে দেয়ার কথা ভাবছে সেগুলো হলো- সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসেন কাসেমী, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে নেজামে ইসলাম পার্টির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহ-সভাপতি ও হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, গাজীপুর -৩ ( শ্রীপুর – গাজীপুর সদর) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় আর্ন্তজাতীক বিষয়ক সম্পাদক সাইয়্যেদ রফিকুল ইসলাম মাদানী, কুমিল্লা-২, (হোমনা-তিতাস) আসনে ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর) আসনে মাওলানা আবদুল হামিদ (পীর সাহেব মধুপুর), ঢাকা-১৩ (মোহাম্মদপুর-আদাবর) আসনে খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক, ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা-মধুখালী) আসনে খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুফতি শরাফত হোসাইন, এবং চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ বোস্তামী) আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নাসির উদ্দীন মুনির।