মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে তিন ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড টঙ্গীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মাদকের হটস্পট হাজির মাজার বস্তি শিক্ষা সংকট কাটিয়ে ওঠার আহ্বান ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ: কাপাসিয়ায় এমপি সালাহউদ্দিন আইউবীর ব্যস্ত দিন বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও ঝরে পড়া রোধে ওয়ার্ল্ড ভিশনের অর্জন উদ্‌যাপন সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুলে ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী কাপাসিয়ায় জাহিদ নিখোঁজের তিনদিন পর লাশ মিলল নদীতে কালীগঞ্জে শ্বশুরকে কুড়ালের কোপে হত্যা, থানায় এসে আত্মসমর্পণ জামাইয়ের

শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম আর নেই

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৩৫ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার: এমেরিটাস অধ্যাপক ও সাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লিাহি … রাজিউন)। আজ শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এর আগে সকালে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।

অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম গত ৩ অক্টোবর গাড়িতে থাকা অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এরপর তাকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে নেয়া হয় । সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাতেই তার হার্টে দুটি রিং পরানো হয়। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে লাইফ সাপোর্ট সরিয়ে নেয়া হয়। এরপর চিকিৎসকরা তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখেন।

সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের জন্ম ১৯৫১ সালের ১৮ জানুয়ারি, সিলেটে। তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, কথাসাহিত্যিক ও সাহিত্যসমালোচক। পেশাগত জীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। সেখান থেকে অবসরের পর তিনি ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস বাংলাদেশে যোগ দেন।

ছোটগল্পকার হিসেবে সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের আত্মপ্রকাশ ১৯৭৪ সালে, বিচিত্রায় প্রকাশিত ‘বিশাল মৃত্যু’ গল্পটির দিয়ে। ২০০৫ সালে প্রকাশিত প্রেম ও প্রার্থনার গল্প গ্রন্থের জন্য প্রথম আলো বর্ষসেরা বইয়ের পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৬ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান। ২০১৮ সালে তাকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের প্রকাশিত গল্পগুন্থের মধ্যে রয়েছে স্বনির্বাচিত শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৯৪), থাকা না থাকার গল্প (১৯৯৫), কাচ ভাঙ্গা রাতের গল্প (১৯৯৮), অন্ধকার ও আলো দেখার গল্প (২০০১), প্রেম ও প্রার্থনার গল্প (২০০৫), সুখদুঃখের গল্প এবং বেলা অবেলার গল্প। উপন্যাস : আধখানা মানুষ্য, দিনরাত্রিগুলি, আজগুবি রাত ও তিন পর্বের জীবন। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো, নন্দনতত্ত্ব (১৯৮৬), কতিপয় প্রবন্ধ (১৯৯২) ও অলস দিনের হাওয়া।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর