বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৪৭তম বিসিএস-এর ভাইভা প্রক্রিয়া শুরু, অনলাইনে তথ্য জমা বাধ্যতামূলক আমিরাতের দুটি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬ শুরু উৎসবমুখর পরিবেশে সুশৃঙ্খলভাবে কালিগঞ্জে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিন সম্পন্ন ১৪৭৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ১৩ জন কালীগঞ্জ পৌরসভা থেকে ৬০ জনকে বিনামূল্যে কম্পিউটার ও ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন মাভাবিপ্রবিতে BAC অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ফটিকছড়িতে ১১ ভেন্যুর ১২ কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হেফাজত আমিরের সঙ্গে এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদের সৌজন্য সাক্ষাৎ গাকৃবিতে আন্তর্জাতিক সিএবিআই কোর্স অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিএসইসি চেয়ারম্যানের সাথে উত্তরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের ব্যাবসায়িক বৈঠক অনুষ্ঠিত  বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম

বিশ্ব সম্প্রদায় রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আর অপেক্ষা করাতে পারে না: ড. ইউনূস

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১২৯ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার: বিশ্ব সম্প্রদায় রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরার জন্য আর অপেক্ষা করাতে পারে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেছেন, সংকট সমাধানে আজই সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করতে হবে। বাংলাদেশ এ প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১০টা) মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তৃতা করবেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা গণহত্যা শুরুর আট বছর পার হলেও তাদের দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে। সংকট সমাধানে কার্যকর উদ্যোগের ঘাটতি স্পষ্ট। আন্তর্জাতিক সহায়তাও মারাত্মক ঘাটতির মুখে। সংকটের সূত্রপাত মিয়ানমারে, সমাধানও সেখানেই নিহিত। রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধে এবং দ্রুত প্রত্যাবাসন শুরুতে মিয়ানমার ও আরাকান আর্মির ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর চাপ প্রয়োগ করতে হবে। এটিই সংকটের একমাত্র সমাধান। মিয়ানমারের বৃহত্তর সংস্কার প্রক্রিয়ার অজুহাতে এটি জিম্মি করা চলবে না।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সহায়তা কমতে থাকায় শান্তিপূর্ণ সমাধানের একমাত্র উপায় হচ্ছে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু করা। আন্তর্জাতিক সুরক্ষা অব্যাহত রাখার চেয়ে এতে অনেক কম সম্পদ প্রয়োজন হবে। রোহিঙ্গারা সবসময়ই নিজ দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। অবিলম্বে যারা সাম্প্রতিক সংঘাত এড়িয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, তাদের প্রত্যাবাসনের সুযোগ দিতে হবে। বাংলাদেশ এই সংকটের শিকার। আর্থিক, সামাজিক ও পরিবেশগত বিরাট খরচ বহন করতে হচ্ছে আমাদের। রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে মাদক প্রবাহসহ নানা অপরাধমূলক কার্যক্রম আমাদের সামাজিক কাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলছে।

দেশে বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের মতো উন্নয়ন-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান থাকায় বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের কর্মসংস্থান দেওয়া সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তাব জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য রোহিঙ্গাদের বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ প্রণয়ন এবং রাখাইনে স্থিতিশীলতা আনা, মিয়ানমার ও আরাকান আর্মির ওপর কার্যকর চাপ প্রয়োগ করে রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতা বন্ধ করা এবং টেকসই প্রত্যাবাসন শুরু করা। রাখাইনকে স্থিতিশীল করতে আন্তর্জাতিক সহায়তা জোগাড় করা এবং আন্তর্জাতিক বেসামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের রাখাইন সমাজ ও শাসন ব্যবস্থায় টেকসই সংহতকরণের জন্য আস্থা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া, যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনার পূর্ণ অর্থায়নে দাতাদের অবদান নিশ্চিত করা, দায়বদ্ধতা ও পুনরুদ্ধারমূলক বিচার নিশ্চিত করা, মাদক সংক্রান্ত অর্থনীতি ভেঙে দেওয়া এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলা করা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর