মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এই দলের হাত ধরে এসেছে মাদক কোনো সমাধান নয়; বরং এটি জীবন ধ্বংসের অন্যতম কারণ- ওসি জাকির হোসেন সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে তিন ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড টঙ্গীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মাদকের হটস্পট হাজির মাজার বস্তি শিক্ষা সংকট কাটিয়ে ওঠার আহ্বান ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ: কাপাসিয়ায় এমপি সালাহউদ্দিন আইউবীর ব্যস্ত দিন বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও ঝরে পড়া রোধে ওয়ার্ল্ড ভিশনের অর্জন উদ্‌যাপন সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুলে ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী

শারদীয় দুর্গোৎসবে হিন্দু সম্প্রদায়কে জামায়াত আমিরের শুভেচ্ছা

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪২ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার: শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা এবং প্রশাসনের প্রতি নিরাপত্তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ আহবান জানান তিনি। বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মূল পর্ব শুরু হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও আমার নিজের পক্ষ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুনিয়ায় বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতির রোল মডেল হিসেবে অভিহিত এবং প্রশংসিত। আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্মসহ নানা আচার-অনুষ্ঠান উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছে। এমন শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নজির ইতিহাসে বিরল।

তিনি বলেন, বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ এ দেশে সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতির এমন অনন্য পরিবেশের জন্য নানা সময়ে ভূয়সী প্রশংসা করেছে। তারা বাংলাদেশকে একটি ‘মডারেট মুসলিম কান্ট্রি’ এবং সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতির ‘রোল মডেল’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

কয়েক বছর আগে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতিতে মুগ্ধ হয়ে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার এইচ ই গ্রে উইল কুক বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। পূজা ও ঈদ একই সময়ে পালনে এক ধর্মের মানুষ অন্য ধর্মের মানুষকে যেভাবে সহযোগিতা করে, তা দেখে আমরা মুগ্ধ।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেলিগেশন প্রধান উইলিয়াম হানা বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বিশ্বে বিরল। ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতির উন্নত মডেল। এদেশে সব বিশ্বাস ও ধর্মের মানুষ শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখে পাশাপাশি বসবাস করছে এবং নিজ নিজ ধর্ম পালনে পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করে আসছে।’ সবার অংশগ্রহণ ও উপস্থিতিতে বাংলাদেশের ধর্মীয় উৎসবগুলো পরিণত হয় সর্বস্তরের মানুষের মিলনমেলায়, যা সারা দুনিয়ায় জাতি হিসেবে আমাদের নিয়ে গেছে উচ্চমাত্রায়।

 

তিনি আরও বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব আমাদের জাতীয় জীবনে সহনশীলতা ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করুক। আমি হিন্দু সম্প্রদায়সহ বাংলাদেশের সব জাতিগোষ্ঠীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। পারস্পরিক ভালোবাসা, সহনশীলতা ও শ্রদ্ধা আমাদের সংস্কৃতির অংশ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই ঐতিহ্য অক্ষুন্ন রাখতে হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর