বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে, দাম বাড়ার কারণ নেই : বিপিসি সাতক্ষীরায় সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, ৪ যুবদল নেতা বহিস্কার শিক্ষায় স্বচ্ছ ও নায্য গ্রেডিং নিশ্চিতে গাকৃবিতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের মেয়ে পিংকী স্বর্ণকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপ হলেন যারা হামলায় আহত খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ মারা গেছেন ইরানে হামলা ‘অনন্ত যুদ্ধে’ রূপ নেবে না: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রী‌কে মধ‌্যপ্রা‌চ্যের তিন মন্ত্রীর ফোন দলের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিএনপিতে ঠাঁই হবে না – রহমাতুল্লাহ পলাশ সব মন্ত্রণালয়কে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে, দাম বাড়ার কারণ নেই : বিপিসি

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৭ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার: দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। যুদ্ধের অজুহাতে দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই। এমন তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিপিসি ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, দেশে বর্তমানে সব মিলিয়ে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি নজরে রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে দাম বাড়ার শঙ্কা নেই।

নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে সোমবার পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে যে ডিজেল আছে তাতে ১৪ দিন, অকটেন ২৮, পেট্রোল ১৫, ফার্নেস অয়েল ৯৩ ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিন চলবে।

এর আগে গত রোববার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সংকট তৈরির আগেই পর্যাপ্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি সব ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, যুদ্ধ হলে সবার জন্যই একটি দুশ্চিন্তার কারণ হয়। আমরা আমাদের সক্ষমতার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব যাতে আমাদের জ্বালানি খাতসহ এ সংক্রান্ত অন্যান্য খাতগুলোকে নিরাপদ রাখা যায়। প্রধানমন্ত্রীও আমাদের কাছ থেকে বেশকিছু তথ্য নিয়েছেন। পাশাপাশি করণীয় নির্ধারণে আমাদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছি। আশা করছি পরিস্থিতি সামাল দিতে পারব।

জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের জ্বালানির যে মজুত রয়েছে, তা নিয়ে তেমন কোনো সমস্যা হবে না। অতীতেও দেখা গেছে, বিভিন্ন সময়ে জ্বালানি খাতে কিছু ওঠানামা হতে পারে। তবে সেসব মোকাবিলায় আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর