সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সব মন্ত্রণালয়কে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কালীগঞ্জের ৮ ইউনিয়নে বিএনপি নেতার উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ ইরানের হামলায় ২০০ মার্কিন সেনা হতাহত : আইআরজিসি কালীগঞ্জে সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কলারোয়ার বিভিন্ন সরকারি দফতর পরিদর্শনে নতুন সাংসদ জামায়াতের ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরায় ৫.৩ ম্যাগনিটিউডে ভূমিকম্প গণভোটের ফলাফল; প্রায় ১১ লাখ ভোট কমিয়ে সংশোধনী গেজেট প্রকাশ ইসির গুণীজনদের হাতে একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী গাকৃবিতে দেশের প্রথম উচ্চ খরা সহনশীল সয়াবিনের জাত ‘জিএইউ সয়াবিন ৬’ উদ্ভাবন : খরা ও চরাঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা

১০ দফা দাবিতে জয়দেবপুর রেল স্টেশনে অবস্থান কর্মসূচি

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৪০ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার : সকল ট্রেনের যাত্রাবিরতী, টাঙ্গাইল কমিউটার ও সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় চালুসহ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের ১০ দফা দাবিতে জয়দেবপুর জংশন স্টেশনে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে গাজীপুর ঐতিহ্য ও উন্নয়ন নামের একটি সংগঠন। এ কর্মসূচি চলাকালে ওই জংশন হয়ে রাজধানী থেকে উত্তরাঞ্চলের ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-রাজশাহী রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। সোমবার সকাল ৭টা থেকে নয়টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচি চলাকালে সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী মো. শামসুল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ভাষা সৈনিক ও গাজীপুর বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন হোসাইন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২৮নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা হাসান আজমল ভূঁইয়া, সদর মেট্রো থানা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, শিক্ষক নেতা আসাদুজ্জামান নূর, বিএনপি নেতা কামরুল হাসান, গাজীপুর পূর্বাঞ্চল ঐক্য পরিষদের সভাপতি আলী আকবর মিয়া, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতা ফারুক ইসলাম প্রমুখ।

সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী মো. শামসুল হক বলেন, জয়দেবপুর জংশন স্টেশন রাজস্ব আদায়ে বাংলাদেশের মধ্যে চতুর্থস্থানে। এ স্টেশন থেকে প্রতিদিন ২০/২৫ হাজার যাত্রী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ট্রেনে যাতায়াত করে। অথচ এ স্টেশনে যাত্রী সেবা অত্যন্ত নিম্নমানের।

সংগঠনের ১০দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সকল ট্রেনের যাত্রা বিরতি নিশ্চিত করা এবং আসন সংখ্যা ২’শ থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার করা। তুরাগ ট্রেনে ৪টি মহিলা কোচসহ অন্ততঃ ১৬টি কোচ সংযুক্ত করে গাজীপুর-ঢাকা রুটে একাধিকবার চালানো। ঢাকা-গাজীপুর বন্ধ রাখা মাসিক টিকেট ৪৫০টাকা পুনরায় চালু করা। টাঙ্গাইল কমিউটার ও সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় চালু করা এবং টঙ্গী ও তেজগাঁও স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিয়ে একাধিকবার চলাচল করা। আসন বিহীন টিকিটের মূল্য এয়ারপোর্ট ও কমলাপুর যথাক্রমে ২০ ও ৩০ টাকা নির্ধারণ করা, টিকিট প্রাপ্তি সহজ করা ও যাত্রী হয়রানি বন্ধ করা। সকল ট্রেনে কমপক্ষে ১২টি বগি সংযুক্ত করা। ট্রেন ও প্লাটফরম হকার ও ভিক্ষুক মুক্ত রাখা। ঢাকা-–গাজীপুর রেলপ্রকল্প দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করা এবং জয়দেবপুর জংশন স্টেশনকে মানসম্মত ব্যবহার উপযোগী করা। জয়দেবপুর জংশন স্টেশন সংলগ্ন পশ্চিম দিকে বিকল্প বাইপাস সড়ক নির্মাণ ও বিআরটি টার্মিনালের সাথে সংযোগ স্থাপন করা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর