সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুলে ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী কাপাসিয়ায় জাহিদ নিখোঁজের তিনদিন পর লাশ মিলল নদীতে কালীগঞ্জে শ্বশুরকে কুড়ালের কোপে হত্যা, থানায় এসে আত্মসমর্পণ জামাইয়ের রাজধানীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন, ২৫ টাকা দরে কিনবে সরকার : শাহে আলম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা এবং বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ গাজীপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইয়েদুর রহমানের ইন্তেকাল মহানবীর (সা) আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বন্যার ক্ষতি কাটাতে জরুরি সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার : কৃষিমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৩১ ভিজিটর

স্টাফ রিপোর্টার: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের পুনরুদ্ধারে সরকার জরুরি সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ৩২৭ মেট্রিক টন ধানবীজ, ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশুকে টিকাদান এবং ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বিতরণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতি এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে পাঁচ জেলায় মৎস্য খাতে ২০০ কোটিরও বেশি টাকা এবং প্রাণিসম্পদ খাতে প্রায় ৭৭ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিরূপণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, বন্যায় ব্যাপক বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কৃষকদের পুনর্বাসনে ৩২৭ মেট্রিক টন ধানবীজ প্রয়োজন হবে। সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বীজ মজুত রয়েছে। যেসব কৃষকের জমি বীজ বপনের উপযোগী হয়েছে, তাদের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে বীজ সরবরাহ করা হবে। আর যাদের জমি এখনও প্রস্তুত হয়নি, তাদের জন্য সরকারি খালি জমিতে জরুরি ভিত্তিতে বীজতলা তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সেখান থেকে ধানের চারা সংগ্রহ করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বন্যার পর খুরা রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তাই ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ জেলায় ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশুকে টিকা দেওয়া হবে। আগামীকাল থেকেই এ কার্যক্রম শুরু হবে এবং ১৫ দিনের মধ্যে তা সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বন্যার কারণে খড় ও অন্যান্য পশুখাদ্য নষ্ট হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জন্য প্রাথমিকভাবে ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে এসব গোখাদ্য বিতরণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ইউনিয়নভিত্তিক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করেছে। যেখানে ক্ষতির পরিমাণ বেশি, সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। কোনো ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষী বা খামারি যাতে সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর