রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী কাপাসিয়ায় জাহিদ নিখোঁজের তিনদিন পর লাশ মিলল নদীতে কালীগঞ্জে শ্বশুরকে কুড়ালের কোপে হত্যা, থানায় এসে আত্মসমর্পণ জামাইয়ের রাজধানীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন, ২৫ টাকা দরে কিনবে সরকার : শাহে আলম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা এবং বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ গাজীপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইয়েদুর রহমানের ইন্তেকাল মহানবীর (সা) আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিকল্প নেই – এটিএম কামরুল ইসলাম

চাঁদাবাজির অভিযোগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা….. শওকত সরকার

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৯৬ ভিজিটর

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি মো. শওকত হোসেন সরকার বলেছেন, তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজনৈতিকভাবে তাকে ঘায়েল করার জন্যই এই কুৎসা রটানো হয়েছে।

রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ওমরা পালন শেষে দেশে ফেরার পর জানতে পারেন, ২৩ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে জড়িয়ে ১০ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে তার চরিত্র হননের উদ্দেশ্যে অসত্য ও একপেশে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, “প্রতিবেদনে যার বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে, তিনি আফজাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি। ভিডিওতে দেখা গেছে, আফজাল হোসেন আমাকে টাকা দিচ্ছেন—এটি সত্য। তবে ওই টাকা কোনো চাঁদাবাজির নয়, বরং গাড়ি বিক্রির টাকা।”

তিনি জানান, ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই আফজাল হোসেন তার ছেলের প্রতিষ্ঠান ‘এস/এস কার সাম্রাজ্য’ থেকে একটি নোয়া স্কয়ার গাড়ি ক্রয় করেন। ৪০ লাখ টাকার ওই গাড়ি ১০ লাখ টাকার চেক জামানত রেখে হস্তান্তর করা হয়। পরে তিনি ব্যাংক ঋণ নিয়ে ধাপে ধাপে বাকি টাকা পরিশোধ করেন। “কিন্তু সেই টাকা দেয়ার সময় গোপনে ভিডিও ধারণ করে বিকৃতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন।”
গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি দাবি করেন, আফজাল হোসেন অতীতে নিজেকে গাজীপুর মহানগর যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতেন। জুলাই আন্দোলনের পর তিনি ভোল বদলে বিলুপ্ত ‘জিয়া মঞ্চ’ নামে একটি ভুঁইফোড় সংগঠনের নেতা দাবি করছেন। “আসলে তিনি সবসময় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় রাজনীতি করেছেন,” অভিযোগ করেন শওকত সরকার।

তিনি আরও বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার ঠেকাতে আমি ইতোমধ্যে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫-এ মানহানির মামলা করেছি। আমি চাই সাংবাদিকরা সত্য তুলে ধরুন।”

কাশিমপুর জমিদার বাড়ি দখলের অভিযোগ প্রসঙ্গে শওকত সরকার বলেন, “এই অভিযোগও মিথ্যা। ২০০৫ সালে আমি ওই বাড়ির অর্ধেক অংশ ক্রয় করি। ২০২৩ সালে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় সরকারপক্ষ সেখানে প্রবেশ করতে পারেনি। নতুন রেকর্ডেও আমি আইনানুগ মালিক।”
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নানা নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ৪২টি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল। আমি কারাভোগ করেছি, নির্যাতন সহ্য করেছি, কিন্তু জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে এক বিন্দু পিছু হটিনি। আজও সেই পথেই আছি।”

পরিশেষে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমাকে ঘায়েল করতে না পেরে চরিত্র হননের পথে নেমেছে। কিন্তু আমি জনগণের আদালতে এবং আল্লাহর কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি। সত্যের জয় হবেই ইনশাআল্লাহ।”

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর