রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী কাপাসিয়ায় জাহিদ নিখোঁজের তিনদিন পর লাশ মিলল নদীতে কালীগঞ্জে শ্বশুরকে কুড়ালের কোপে হত্যা, থানায় এসে আত্মসমর্পণ জামাইয়ের রাজধানীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন, ২৫ টাকা দরে কিনবে সরকার : শাহে আলম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা এবং বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ গাজীপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইয়েদুর রহমানের ইন্তেকাল মহানবীর (সা) আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিকল্প নেই – এটিএম কামরুল ইসলাম

মাদকাসক্ত ছেলেক হত্যার পর বাবার থানায় আত্মসমর্পণ

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৭০ ভিজিটর

গাজীপুর প্রতিনিধি ; গাজীপুরের শ্রীপুরে মাদকাসক্ত ছেলে আনোয়ার হোসেনের (২৫) অত্যাচর, নির্যাতন সইতে না পেরে বটি দিয়ে কুপিয়ে ছেলেকে হত্যার পর থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছেন বাবা মোহাম্মদ আলী। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার প্রহলাদপুর ইউনিয়নের নানাইয়া (আটিপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত আনোয়ার হোসেন (২৫) প্রহলাদপুর ইউনিয়নের নানাইয়া (আটিপাড়া) গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। বাবা মোহাম্মদ আলী একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মন্ডল জানান, জীবিকার তাগিদে ছেলে আনোয়ার হোসেনকে প্রায় সাত বছর আগে মালয়েশিয়াতে পাঠিন বাবামোহাম্মদ আলী। প্রবাস থেকে ফিরে ছেলে আনোয়ার হোসেন মাদকাশক্ত হয়ে পড়লে তাকে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করলে চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে উঠে। পরে আবার তাকে সৌদি পাঠিয়ে দেয়। সেখান তিন বছর প্রবাস জীবন কাটিয়ে গত এক বছর আগে বাড়ীতে আসে। পরে ছেলে আবার মাদকাশক্ত হয়ে পড়ে এবং বারা জমানো টাকা খরচ করে ফেলে। এরপর প্রায়ই বাবার কাছে থেকে টাকা চেয়ে নিত। না দিলে বাড়ীতে ভাংচুর করতো এবং মারধর করতো। এসময়ের মধ্যে বাবাকে না জানিয়ে ছেলে কৃষক বাবার ৮টি গরু এবং বাড়ীর পুকুরের মাছ বিক্রি করে।

তিনি আরো জানান, কৃষক বাবা গোয়াল ঘরে গিয়ে ১১টি গরু ছিল। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে ছেলে গোয়াল ঘরে গিয়ে গরুকে লাঠি দিয়ে পিটাতে থাকে। বাবা গরুকে না পিটানোর জন্য তার ছেলেকে নিষেধ করে। এসময় ছেলে বাবাকে বলে তোমাকেও মেরে ফেলবো। এক পর্যায়ে বাবার সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং বাবার গায়ে হাত তুলে। এ নিয়ে বাবার মনে ক্ষোভ জন্ম নেয় এবং রাত তিনটার দিকে ঘুমন্ত ছেলেকে বটি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। পরে সকালে বাবা নিজেই থানায় উপস্থিত হয়ে ছেলেকে হত্যার কথা স্বীকার করলে পুলিশ তাকে গ্রেফতরা করে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীান।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর