রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী কাপাসিয়ায় জাহিদ নিখোঁজের তিনদিন পর লাশ মিলল নদীতে কালীগঞ্জে শ্বশুরকে কুড়ালের কোপে হত্যা, থানায় এসে আত্মসমর্পণ জামাইয়ের রাজধানীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন, ২৫ টাকা দরে কিনবে সরকার : শাহে আলম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা এবং বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ গাজীপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইয়েদুর রহমানের ইন্তেকাল মহানবীর (সা) আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিকল্প নেই – এটিএম কামরুল ইসলাম

বাংলাদেশে গ্যাস অনুসন্ধান কাজের ধারাবাহিকতা চায় রাশিয়া

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫
  • ৬৫ ভিজিটর

 স্টাফ রিপোর্টার : গ্যাস অনুসন্ধানে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি গ্যাজপ্রম ইন্টারন্যাশনালের কাজের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সহযোগিতা চেয়েছে রাশিয়া। বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার জি খোজিন মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ অনুরোধ জানান।

গ্যাজপ্রম ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশে কাজ করছে এবং গ্যাসের মজুত অনুসন্ধানে অংশীদার হিসেবে কাজ করেছে। ২০২৩ সালে গ্যাজপ্রম ইন্টারন্যাশনাল ভোলায় আরও অনুসন্ধানের জন্য পাঁচটি নতুন কূপ চিহ্নিত করে। প্রধান উপদেষ্টা ভোলায় পাঁচটি কূপ খননের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য গ্যাজপ্রমকে ধন্যবাদ জানান এবং জানান যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করছে এবং এ বিষয়ে আরো সহযোগিতার জন্য উন্মুক্ত। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত সাধারণ ও বাণিজ্য সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
২০২৪ সালে, বাংলাদেশে রাশিয়ান গমের সরবরাহ সর্বকালের উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা দেশটিকে মিশরের পরে রাশিয়ান শস্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভোক্তা করে তুলেছে। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে ৬ লাখ ২৩ হাজার টনসহ ২৩ লাখ টন রাশিয়ান গম বাংলাদেশে পৌঁছেছে।

রাষ্ট্রদূত জানান, বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে রাশিয়া বাংলাদেশকে ৩০ হাজার টন এমওপি সার সরবরাহের প্রস্তুতিও নিচ্ছে।

কৃষি ও জাহাজ নির্মাণ ক্ষেত্রে নতুন চাকরির গন্তব্য হিসেবে রাশিয়াকে চিহ্নিত করায় বাংলাদেশীদের ভিসা প্রদানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে জানান।

২০২৫ সালের জানুয়ারি-মার্চ মাসে ইস্যু করা ভিসার সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চারগুণ বেড়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টা মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সংকটময় সময়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য রাশিয়াকে ধন্যবাদ জানান।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর